পাম ওয়েলের সঙ্গে ডালডা মিশিয়ে ‘খাঁটি গাওয়া ঘি’

ঘিয়ের নূন্যতম উপাদান নেই, অথচ নাম তার ‘খাঁটি গাওয়া ঘি’। পাম অয়েল, সুজি, ক্ষতিকারক রং ও ডালডা একত্রে চুলায় জাল দিয়ে, তার সঙ্গে ফ্লেবার মিশিয়ে তৈরি করা হচ্ছে এই ঘি।

কিশোরগঞ্জের লতিবাবাদ মুকসেদপুর এলাকায় ‘ইলমা অ্যান্ড রেদোয়ান কনজ্যুমার প্রডাক্ট’ নামে অনুমোদনহীন একটি কারখানায় তৈরি হচ্ছিল এসব ঘি। পরে এগুলো রকমারি ও বাহারি এমনকি নামি-দামি কোম্পানির মোড়ক লাগিয়ে অত্যাধুনিক মেশিনে টিনের কৌটাজাত করে কিশোরগঞ্জসহ আশপাশের জেলা ও বিভিন্ন উপজেলায় বাজারজাত করছিল একটি চক্র।

বৃহস্পতিবার (১৯ নভেম্বর) দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই ভেজাল ঘি তৈরির কারখানায় অভিযান চালায় র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযানে কয়েক হাজার লিটার ভেজাল ঘি, ঘি তৈরির মালামাল, কেমিক্যাল পরীক্ষা করার ভুয়া সরঞ্জাম ও মেশিন জব্দ করা হয়। সিলগালা করে দেয়া হয় কারখানাটি।

অভিযানে থাকা জেলা কালেক্টরেটের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহামুদুল হাসান কারখানার মালিক মহিউদ্দিন আহমেদ ইমনকে ভোক্তা অধিকার আইনে এক লাখ টাকা জরিমানা করেন। ইমন নিকলী উপজেলার ধীরুয়াইল গ্রামের মকবুল আহমেদের ছেলে।

র‌্যাব-১৪ কিশোরগঞ্জ ক্যাম্পের অধিনায়ক লে. কমান্ডার এম শোভন খান জানান, এসব ঘি স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর। এজন্য ভোক্তা অধিকার আইনে কারখানার মালিককে জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া জব্দকৃত ভেজাল ঘি ও মালামাল পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।

 


আরও পড়ুন