বোমা মিজানের মৃত্যুদণ্ড, ইকবালের যাবজ্জীবন

চট্টগ্রাম আদালতের পুলিশ চেক পোস্টে আত্মঘাতী বোমা হামলা মামলার রায়ে আসামি জাহিদুল ইসলাম ওরফে বোমা মিজানকে মৃত্যুদণ্ড এবং অপর আসামি জাবেদ ইকবালকে যাবজ্জীবন কারদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এ রায়ের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ১৬ বছরের অপেক্ষার অবসান হলো।

রোববার চট্টগ্রাম সন্ত্রাস দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আব্দুল হালিমের আদালত এই আদেশ দিয়েছেন।

এর আগে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কড়া নিরাপত্তায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে সন্ত্রাসবিরোধী ট্রাইব্যুনাল আদালতে আসামি জাবেদ ইকবালকে নিয়ে আসা হয়েছে। আর জাহিদুল ইসলাম ওরফে বোমা মিজান পলাতক রয়েছেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মনোরঞ্জন দাশ বলেন, আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করতে আমরা সক্ষম হয়েছি। আত্মঘাতী বোমা হামলা মামলায় জাহিদুল ইসলাম ওরফে বোমা মিজানের মৃত্যুদণ্ড ও আরেক আসামি জাবেদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দেন আদালত। এছাড়া তাকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অনাদায়ে আরও ২ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন।

গত ২১ সেপ্টেম্বর বিকেলে রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের তারিখ ধার্য করেন চট্টগ্রাম সন্ত্রাস দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আব্দুল হালিমের আদালত। ওই সময় আসামি জাবেদ ইকবাল উপস্থিত ছিলেন।

২০০৫ সালের ২৯ নভেম্বর আদালতের পুলিশ চেকপোস্টে বোমা হামলা চালায় নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জেএমবি। এতে পুলিশ কনস্টেবল রাজীব বড়ুয়া ও ফুটবলার শাহাবুদ্দীন আহমদ নিহত হন। ওই ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় মামলা হয়।

সেই মামলায় ২০১৬ সালের ১৮ মে জাবেদ ইকবালসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হলে চার্জ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন বিচারক। এর মধ্যে অন্য একটি মামলায় জেএমবির প্রধান শায়খ আবদুর রহমান, সেকেন্ড ইন কমান্ড ছিদ্দিকুর রহমান ওরফে বাংলা ভাই এবং জেএমবির সামরিক কমান্ডার আতাউর রহমান সানির ফাঁসির আদেশ হলে এ মামলা থেকে তাদের বাদ দেয়া হয়।


আরও পড়ুন