চলতি বছরেই ইরাকে সামরিক মিশন শেষ করবে যুক্তরাষ্ট্র

মধ্য আগস্টে আফগানিস্তান থেকে সেনা সরিয়ে দুই দশকের সামরিক অভিযানে সমাপ্তি টেনেছিল যুক্তরাষ্ট্র। এবার ডিসেম্বরের মধ্যে ইরাকে সামরিক মিশন গুটিয়ে আরেকটি দীর্ঘ সামরিক মিশন শেষ করতে যাচ্ছে দেশটি।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগনের মুখপাত্র জন কারবি স্থানীয় সময় শনিবার এক বিবৃতিতে এ কথা জানান।

তিনি বলেন, গত জুলাই মাসে অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্র-ইরাক কৌশলগত সংলাপের সময় যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তা বজায় রাখবে ওয়াশিংটন। এ প্রতিশ্রুতির মধ্যে রয়েছে চলতি বছরের শেষ নাগাদ ইরাকে মার্কিন বাহিনী আর সামরিক ভূমিকায় থাকবে না।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন শনিবার বাহরাইনে ইরাকের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জুমা ইনাদ সাদুন আল-জাবুরির সঙ্গে বৈঠক করেন। বাহরাইনে অনুষ্ঠিত মানামা সংলাপের ফাঁকে এ বৈঠক হয়।

বৈঠকের পর পেন্টাগনের দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়, অস্টিন ইরাকি প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে নিশ্চিত করেছেন যে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীকে সমর্থন-সহায়তা করার জন্য বাগদাদের আমন্ত্রণে সে দেশে মার্কিন বাহিনী থাকবে।

এতে আর বলা হয়, উভয় পক্ষ ইরাকে মার্কিন সামরিক মিশনের পরবর্তী ধাপ নিয়ে বৈঠকে আলোচনা করেছে।

এ আলোচনার মধ্যে জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটকে (আইএস) পরাজিত করার লক্ষ্যে ইরাকি নিরাপত্তা বাহিনীকে যুক্তরাষ্ট্রের পরামর্শ, সহায়তা ও গোয়েন্দা তথ্য ভাগাভাগি করে নেওয়ার বিষয়টি রয়েছে বলে পেন্টাগন জানায়।

উল্লেখ্য, ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট থাকার সময় ড্রোন হামলায় ইরানের কুদস ফোর্সের কমান্ডার কাসেম সোলেইমানিকে হত্যার পর ইরাক থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারে চাপ বাড়ায় তেহরান। ইরাকি বিমানবন্দরের কাছেই ড্রোন হামলায় নিহত হন সোলেইমানি।


আরও পড়ুন