করিমগঞ্জ - June 18, 2022

করিমগঞ্জে বন্যায় পাঁচ ইউনিয়ন প্লাবিত, দুর্গতদেৱ মাঝে প্রশাসনের ত্রাণ বিতৱণ

সুনামগঞ্জ ও সিলেটের দিক থেকে আসা পাহাড়ি ঢল ও কয়েকদিনের টানা বর্ষণে করিমগঞ্জের ৫ টি ইউনিয়ন ইতোমধ্যে প্লাবিত হয়েছে। প্লাবিত ইউনিয়নগুলো উপজেলাৱ সুতারপাড়া, নিয়ামতপুর, গুনধর, জয়কা ও গুজাদিয়া।
হঠাৎ পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় প্লাবিত ইউনিয়নগুলোৱ জনজীবন দুর্বিষহ হয়ে পড়েছে। দুর্গত ইউনিয়নগুলোতে গবাদি পশু, হাঁস-মুৱগি ও খাদ্য সামগ্রী নিয়ে বিপাকে ৱয়েছে পানিবন্দি হাজাৱ হাজাৱ পৱিবাৱ।
এতে বেশি বিপাকে পড়েছেন দিনমুজুর ও খেটে খাওয়া মানুষ। কিছু গ্রামে দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানি সংকট। তলিয়ে গেছে আমন বীজতলা, বোরো ধান ও সবজি ক্ষেত।
উপজেলার সুতাৱপাড়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন ভূইয়া জানান, তাৱ ইউনিয়নের প্রায় ৭০ শতাংশ এলাকা বন্যায় প্লাবিত হয়েছে। ঘর ছেড়ে প্রায় শতাধিক পরিবার পার্শ্ববর্তী স্কুল এবং নিকট আত্মীয়দের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে বলেও জানান এ জনপ্রতিনিধি।
এদিকে শনিবার ১৮ জুন, বিকালে কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসক শামীম আলম জেলার দুর্গত উপজেলাগুলো সরোজমিনে পরিদর্শন শেষে করিমগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলার সুতারপাড়া ইউনিয়নের বালিয়াপাড়া (বালি কলা) গ্রামেৱ বন্যা দুর্গতদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন।
এসময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা, উপজেলা নির্বাহী অফিসার পলাশ কুমার বসু, সুতাপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান কামাল হোসেন ভূইয়া উপস্থিত ছিলেন।
পলাশ কুমার বসু জানান, আমরা জানতে পেরেছি উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়ন ইতিমধ্যে বন্যায় প্লাবিত হয়েছে। কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসক শামীম আলম স্যারের নির্দেশনায় উপজেলা প্রশাসনেৱ পক্ষ থেকে থেকে বন্যা মোকাবেলায় ত্রাণ কার্যক্রমসহ সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। ইতিমধ্যে উপজেলায় ৪২ টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এছাড়াও দুর্গতদের জন্য পর্যাপ্ত ত্রাণ সামগ্রীর মজুত রাখা হয়েছে। তিনি আরো জানান, দুর্যোগ মোকাবেলায় সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নে স্বেচ্ছাসেবীসহ, প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিগণ প্রস্তুত রয়েছেন।

আরও পড়ুন