চট্টগ্রামে পাহাড় ধসের সতর্কবার্তা

ভারি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে চট্টগ্রামে পাহাড় ধসের সম্ভাবনা রয়েছে বলে সতর্ক করেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। শনিবার এ বিষয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে অধিদপ্তর।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশের ওপর সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে শনিবার বিকেল ৫টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও প্রবল বজ্রপাতসহ ভারি (৪৪-৮৮ মি.মি.) থেকে অতি ভারি (৮৯ মি.মি. বা তার অধিক) বর্ষণ হতে পারে। অতি ভারি বর্ষণের কারণে চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি এলাকার কোথাও কোথাও ভূমিধসের সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে, শুক্রবার রাতে চট্টগ্রামের আকবর শাহ এলাকায় পৃথক দুই স্থানে পাহাড় ধসে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন ছয় জন। পাহাড় ধসে প্রাণহানি ঠেকাতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১৯টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে।

নগরের বাটালি হিল, মতিঝর্ণা, আকবরশাহ, হিল-১, হিল-২ এবং বায়েজিদ লিংক রোড সংলগ্ন পাহাড়, ফয়েজ লেক সংলগ্ন ১ নম্বর ঝিল, ২ নম্বর ঝিল, ৩ নম্বর ঝিল, আমিন জুট মিল এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, সেখানে ঝুঁকি নিয়ে শত শত পরিবার তাদের বসতঘর তৈরি করেছেন। জেলা প্রশাসনের নির্দেশে সেখান থেকে বেশকিছু পরিবারকে নিরাপদ দূরত্বে আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেয়া হলেও কিছু পরিবার থেকে যায়।

এর আগে শুক্রবার (১৭ জুন) সকালে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং, লিফলেট বিতরণ করা হয়। প্রস্তুত রাখা হয় জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে আগ্রাবাদ, বাকলিয়া, কাট্টলি ও চান্দগাঁও সার্কেলাধীন ১৯টি আশ্রয়কেন্দ্র। এছাড়াও সীতাকুণ্ড উপজেলা, রাউজান, রাঙ্গুনিয়া, ফটিকছড়ি, চন্দনাইশ, হাটহাজারী, লোহাগাড়াতেও পাহাড় ধস এবং ফ্ল্যাশ ফ্লাডের বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে। উপজেলা পর্যায়েও আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত আছে।


আরও পড়ুন