উ. কোরিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রীর মৃত্যুদণ্ড কামানের গোলায় কার্যকর

N+Korea
বুধবার এক রুদ্ধদ্বার বৈঠকে দক্ষিণ কোরিয়ার পার্লামেন্টকে এ কথা জানিয়েছে দেশটির জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা (এনআইএস) ।

কিম জং উন উত্তর কোরিয়ার দায়িত্বভার গ্রহণের পর থেকে বিভিন্ন অভিযোগে দেশটির শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হচ্ছে। ৬৬ বছর বয়সী চোল হলেন তার সর্বশেষ শিকার।

চোল উত্তর কোরিয়ার সেনাবাহিনীরও প্রধান ছিলেন। তার বিরুদ্ধে ‘দেশদ্রোহিতার’ অভিযোগ আনা হয়।

এসব অভিযোগের মধ্যে নেতা হিসেবে উনকে মান্য না করা ও উনের উপস্থিতিতে এক অনুষ্ঠানে ঘুমিয়ে পড়ার মতো বিষয়ও রয়েছে।

তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনাটি কয়েকশ’ জনতা প্রত্যক্ষ করেন বলে দক্ষিণ কোরীয় গোয়েন্দারা জানিয়েছেন।

এসব তথ্য এনআইএস কীভাবে সংগ্রহ করেছে তা স্পষ্ট হওয়া যায়নি।
অপরদিকে এ ধরনের প্রতিবেদন কঠোর গোপনীয়তা অবলম্বনকারী উত্তর কোরিয়া থেকে নিরপেক্ষভাবে যাচাই করাও সম্ভব হয় না।

বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, এ পর্যন্ত উত্তর কোরিয়ায় কোনো ধরনের অস্থিরতার কোনো ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। তবে দমনের এ ধারা চলতে থাকলে অস্থিরতা দেখা দিতে পারে।

এনআইএস-র তথ্যানুযায়ী, কিম জং উন তার কর্তৃত্বকে চ্যালেঞ্জ জানানোয় চলতি বছর উত্তর কোরিয়ার ১৫ জন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন।
২০১১ সালে পিতার মৃত্যুর পর উত্তর কোরিয়ার ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে উনের নির্দেশে এ পর্যন্ত প্রায় ৭০ জন কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে বলে এনআইএস-র বরাত দিয়ে জানিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার বার্তা সংস্থা ইয়োনহ্যাপ।


আরও পড়ুন