অর্থনীতি - May 13, 2015

সর্বনিম্ন বেতন ৮২৫০, সর্বোচ্চ ৭৫০০০

bd govt logo
ঢাকা: জাতীয় বেতন স্কেলের আওতাভুক্ত সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য গঠিত ‘পে অ্যান্ড সার্ভিসেস কমিশন’-এর সুপারিশের বিষয়ে গঠিত সচিব কমিটির চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী নতুন স্কেলে সর্বোচ্চ মূল বেতন ৭৫ হাজার টাকা এবং সর্বনিম্ন বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে এর প্রস্তাবনা ছিল সর্বোচ্চ ৮০ হাজার ও সর্বনিম্ন ৮ হাজার ২শ’ টাকা।

বুধবার সোয়া ৩টার দিকে সচিবালয়ে ‘পে অ্যান্ড সার্ভিসেস কমিশন’-এর সুপারিশের বিষয়ে গঠিত সচিব কমিটির চূড়ান্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে গণমাধ্যমকে একথা জানান অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত।

নতুন এই বেতন কাঠামো ১ জুলাই থেকে দুই ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। ২০১৫-১৬ জাতীয় বাজেটের পর মন্ত্রীসভায় উত্থাপন করা হবে বলেও জানান অর্থমন্ত্রী।

এর আগে সকালে কমিটি গঠনের প্রায় সাড়ে চার মাস সময় নিয়ে এ বিষয়ে প্রতিবেদন জমা দেয়া হয়। সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের দপ্তরে বুধবার সকালে এ প্রতিবেদন জমা দেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন ভূইঞা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ফরাস উদ্দিনকে চেয়ারম্যান করে গত বছরের নভেম্বরে পে অ্যান্ড সার্ভিসেস কমিশন গঠন করা হয়। সরকারি চাকুরিজীবীদের বেতন শতভাগ বাড়ানোর সুপারিশ করে একই বছরের ২১ ডিসেম্বর অর্থমন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন জমা দিয়েছিলো কমিশন। সেখানে সর্বোচ্চ ৮০ হাজার ও সর্বনিম্ন ৮ হাজার ২শ’ টাকা বেতন স্কেলের খসড়া সুপারিশ করা হয়। ওই সুপারিশে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সচিব ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্যসচিবের বেতন এক লাখ টাকা এবং সিনিয়র সচিবদের বেতন ৮৮ হাজার টাকার প্রস্তাব করা হয়। বেতন বৃদ্ধির হারের সঙ্গে পেনশন বৃদ্ধির সুপারিশও করা হয় প্রস্তাবে।

সুপারিশ পর্যালোচনার জন্য গত ১ জানুয়ারি মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিতে সদস্য হিসেবে আছেন, অর্থ বিভাগের সিনিয়র সচিব, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সিনিয়র সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব।

ওই কমিটিকে ছয় সপ্তাহের মধ্যে বেতন কমিশনের প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে সুপারিশগুলো বাস্তবায়নের পদ্ধতি নিরূপণ করে সরকারের কাছে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে কমিটি বেতন কাঠামো সুপারিশ চূড়ান্ত করতে না পারায় পরবর্তীতে এক মাস এবং পরে আরো দুই মাস সময় বাড়ানো হয়।


আরও পড়ুন