অর্থনীতি - November 12, 2016

বাংলাদেশ-মিয়ানমার অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে যৌথ উদ্যোগ প্রয়োজন

মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠ রিপোর্ট,

 

বাংলাদেশ- মিয়ানমার বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিল দুইদেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের উপর গুরুত্বারোপ করেছে।
সংগঠনটি মায়ানমার ও বাংলাদেশের মধ্যে কৃষি, জ্বালানি, সেবা এবং ব্যাংকিং খাতে যৌথভাবে কাজ করার বহু ক্ষেত্র রয়েছে উল্লেখ তা জোরদারের পরামর্শ দিয়েছে।
সম্প্রতি রাজধানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশ-মায়ানমার বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিলের (বিএমবিপিসি) উদ্যোগে ‘৮ম বাংলাদেশ-মায়ানমার জয়েন্ট ট্রেড কমিশন’-এর সভা উপলক্ষে ঢাকা সফরে আসা মায়ানমার প্রতিনিধিদলের অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে সংগঠনটির পক্ষ থেকে এসব কথা বলা হয়। সংগঠনটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে একথা জানানো হয়।
গত ০৯ ও ১০ নভেম্বর ‘বাংলাদেশ-মায়ানমার জয়েন্ট ট্রেড কমিশন’-এর ওই সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে মায়ানমার প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন দেশটির স্থায়ী বাণিজ্য সচিব টো অং মিয়ান্ট।
দুই দেশ একই ধরনের অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ রয়েছে উল্লেখ করে বিএমবিপিসি’র সভাপতি সৈয়দ মাহমুদুল হক বলেন, আমাদের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্যে অসামাঞ্জস্য এবং নেতিবাচক কোনো ধরনের বোঝা নেই। এ সম্পর্কের ধারাবাহিকতায় এ বছরের জুনে চিংড়ি শিল্পে হ্যাচারি প্রযুক্তি ব্যবহার ও উন্নয়নের ওপর মায়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশ শ্রিম্প ও ফিস ফাউন্ডেশনের একটি সমঝোতা স্মারকের কথা তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি দুইদেশের যৌথ উদ্যোগে কক্সবাজার এবং বান্দারবানে কৃষিভিত্তিক বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের প্রস্তাব দেন।
এর প্রেক্ষিতে টো অং মিয়ান্ট মায়ানমার সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মো. মোশাররফ হোসাইন ভূঁইয়া, বাণিজ্য সচিব হেদায়েতুল্লাহ আল মামুন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান নজিবুর রহমান, পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য খোরশেদ আলম চৌধুরী, মায়ানমারের রাষ্ট্রদূত মিও মিয়ান্ট থান প্রমুখ।

 

মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠ /   ১২-১১-২০১৬ ইং / মো: হাছিব


আরও পড়ুন