জাতীয় - প্রচ্ছদ - January 25, 2017

যাত্রী হয়রানি কমাতে ই-টিকেটিং পদ্ধতি ‘র‍্যাপিড পাস’ সেবা চালু করতে যাচ্ছে সরকার

মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠ রিপোর্ট,

যাত্রী হয়রানি কমাতে রাজধানীর পরিবহন ব্যবস্থায় সমন্বিত ই-টিকেটিং পদ্ধতি ‘র‍্যাপিড পাস’ সেবা চালু করতে যাচ্ছে সরকার। সব পরিবহনে একই কার্ড দিয়ে যাতায়াত করতে পারবেন যাত্রীরা।

বুধবার রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে ই-টিকেটিং চালু করার জন্য ক্লিয়ারিং হাউজ ব্যাংক স্থাপনে ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ) এবং ডাচ বাংলা ব্যাংকের মধ্যে চুক্তি সই হয়েছে। এ সময় সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের (ডিটিসিএ) পক্ষে নির্বাহী পরিচালক মো. জাকির হোসেন মজুমদার এবং ডাচ বাংলা ব্যাংকের পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল কাশেম মো. শিরিন চুক্তিতে সই করেন।

রাজধানী ঢাকার পরিবহন ব্যবস্থাকে সমন্বিত ই-টিকেটিং পদ্ধতির আওতায় আনতে এই প্রকল্পের মোট ব্যয় ৩৯ দশমিক ০৬ কোটি টাকা। এতে কারিগরি সহায়তা দেবে জাইকা।

মোট ব্যয়ের মধ্যে জাইকা দেবে ২৮ দশমিক ৫২ কোটি টাকা এবং সরকার দেবে ১০ দশমিক ৫৪ কোটি টাকা। প্রকল্পটি ২০১৮ সালের জুনে শেষ হবে।

অনুষ্ঠানে ডিটিসিএর ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক মো. জাকির হোসেন মজুমদার বলেন, সব পরিবহনে একই কার্ড অর্থাৎ র‍্যাপিড পাস দিয়ে যাতায়াত করতে পারবেন যাত্রীরা। আগামী মে মাসে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসি) আব্দুল্লাহপুর থেকে মতিঝিল রুটের এসি বাসে র‍্যাপিড পাস পরীক্ষামূলকভাবে চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, ভবিষ্যতে মেট্রোরেল, বাস র‍্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি), রেল, বিআরটিসির সব রুট, বিআইডব্লিউটিসি, পাবলিক পরিবহনে এই কার্ড ব্যবহার করে পরিবহন সেবা গ্রহণ করতে পারবেন যাত্রীরা।

তিনি আরো বলেন, প্রাথমিকভাবে সরকারি গণপরিবহন ব্যবস্থাকে এ কার্ডের আওতায় নিয়ে আসার পরিকল্পনা রয়েছে। এ জন্য চুক্তি করতে হবে। বিআরটিসির সাথে চুক্তি হওয়ার পরই এ রুটে (আব্দুল্লাহপুর থেকে মতিঝিল) সেবা চালু করা যাবে।

‘ক্লিয়ারিং হাউজ ব্যাংক’ প্রসঙ্গে তিনি জানান, একাধিক পরিবহন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ভাড়া আদায় ব্যবস্থার সমন্বয়কারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করবে একটি ‘ক্লিয়ারিং হাউজ’। ভাড়া বণ্টন ও কার্ড ব্যবস্থাপনার বিষয়গুলোর দেখভালও করবে তারা।

ক্লিয়ারিং হাউজ পরিচালনার জন্য থাকবে ক্লিয়ারিং হাউজ ব্যাংক, যা নিয়মিত ক্লিয়ারিং নিশ্চিত করার পাশাপাশি পরিবহন সেবা প্রদানকারী এবং সংশ্লিষ্ট অন্যদের প্রাপ্য অর্থ নিজ নিজ অ্যাকাউন্টে জমার ব্যবস্থা করবে। এ ছাড়াও র‍্যাপিড পাসের জন্য ফি এবং রিচার্জ কার্যক্রম পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজও করবে।

 

মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠ ডটকম/ ২৫ -০১-২০১৭ইং  / মো: হাছিব


আরও পড়ুন