দেশের খবর - September 29, 2018

পার্বতীপুরে ক্রিকেট খেলাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত ১

দিনাজপুরের পার্বতীপুরে ক্রিকেট খেলাকে কেন্দ্র করে পূর্ব শত্রুতার জেরে মিথ্যা মামলা দিয়ে এক পরিবারকে হয়রানির ঘটনার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

জানা যায়, গত ২৩ আগষ্ট/১৮ তারিখ সকালে ক্রিকেট খেলাকে কেন্দ্র করে সনেট ও সুয়েজের সাথে শফিকুল ইসলামের ছেলে রায়হান বাবুর বাকবিতন্ডার সৃষ্টি হয়। এরই জের ধরে বিকেল ৫টায় উপজেলার নারায়নপুর সরদার পাড়া এলাকার আমিনুল হক মন্ডলের ছেলে সাঈদ আল মামুন সনেট (২৬) ইউসুফ আলীর ছেলে চাচা কুদ্দুস সরকার (২৩), ভাই ইমন ও এলিনকে সাথে নিয়ে দাওয়াত খাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হলে পথিমধ্যে নারায়নপুর (কাগজীপাড়া) এলাকায় মৃতঃ আজিজার রহমানের ছেলে শফিকুল ইসলাম, রফিকুল ইসলামের নেতেৃত্বে পূর্ব থেকে ওঁত পেতে থাকা শফিকুল ইসলামের ছেলে রায়হান (২০), হৃদয় (২০), রফিকুল ইসলামের ছেলে ফারুক ইসলাম (২৮) সহ মোট ১৮/২০ জনের সংঘব্ধ একটি দল তাদের উপর হামলা চালালে সকলেই আহত হয়। এসময় সনেটের চাচা কুদ্দুস সরকার প্রতিপক্ষের হামলায় লাঠির আঘাতে মাথা ফেটে গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পরে।

পরে এলাকাবাসীর সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পুরুষ ওয়ার্ডের ৭নং বেডে ভর্তি কর রা হয়। এসময় তার মাথায় ৩টি সেলাই দেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। এদিকে ঘটনার পর থেকে হামলাকারীরা তাদের বিরুদ্ধে কোন প্রকার অভিযোগ বা মামলা না করার জন্য প্রতিনিয়তই হুমকি দেয়ার পাশাপাশি কাল ক্ষেপন করে আসছে অভিযোগ ভুক্তভোগী পরিবারটির। ঠিক এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে হয়রানী করার লক্ষে উল্টো ভুক্তভোগী পরিবারটির বিরুদ্ধেই ১৪জনের নাম উল্লেখ্য করে হামলাকারী শরিফুল ইসলামের স্ত্রী রাবেয়া বেগম(৩৭) বাদী হয়ে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত দিনাজপুরে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেন বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।

তারা হলেন, আমিনুল ইসলামের ছেলে, সনেট(২৬), পুলিশ সদস্য সুয়েজ(২৪), মৃত: ইউসুফ আলীর ছেলে বাবু (৩২) ও কুদ্দুস সরকার, জয়নাল হাজ্জ্বীর ছেলে বিজিবি সদস্য জামান (৩০) ও জান্নাত(৩৫), মোজাম্মেল সরদারের ছেলে এসিল্যান্ড অফিসের সহকারী ইমরুল হক(৩৬), উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা ইমরান আলী(৩২),একরামুল(২২)ও এনামুল হক(২২)। লায়ন(২৪), আমিনুল মন্ডল (৪৮),পলাশ সরদার(২৯) এবং অহিদুল হক(২০)। তারা জানান, আমার চাচার মাথা ফাটানোর ঘটনার কথা শুনে ঘটনা স্থলে গেলে তারাও আমাদের উপর চড়াও হয়। আমার চাচার মাথা ফাটানোর পর তারাই আবার আমাদের নামে আদালতে মামলা করেছে। আমরা এর সুষ্ঠ্য বিচারের দাবীতে বাধ্য হয়ে গত ২৬ তারিখে থানায় মামলা করেছি ( নং- ৩১, তাং- ২৬/০৯/১৮ইং)। মামলা হলেও এখন পর্যন্ত কোন আসামী গ্রেফতার হয়নি। মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে পার্বতীপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ হাবিবুল হক প্রধান বলেন তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত শফিকুল ইসলামের সাথে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।


আরও পড়ুন