কিশোরগঞ্জের হাওরে ধান কাটতে চট্টগ্রাম থেকে আসছে ১৫০০ শ্রমিক

করোনার সংক্রমণের কারণে উত্তর পূর্বাঞ্চলের শস্যভান্ডার কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলে ধান কাটার জন্য  শ্রমিক সংকট হওয়ায় পুলিশের বিশেষ ব্যবস্থায় চট্টগ্রাম থেকে একশো শ্রমিককে পাঠানো হচ্ছে প্রথম ধাপে। পরবর্তীতে এস আলম গ্রুপের বিশেষ বাসে পাঠানো হবে আরো ১৪০০ শ্রমিক।

এবার ধান উৎপাদনের লক্ষমাত্রা নির্ধারন করা হয়েছে ২ কোটি ৪ লাখ মেট্রিক টান। যার মধ্যে হাওরাঞ্চলের কৃষকরা যোগান দিবে ৩৮ লাখ মেট্রিক টান। মূলত করোনার খাদ্যের সংকট মোকাবেলা ও সামনে বন্যার কথা মাথায় রেখে ধান তড়িঘড়ি করে কাট হবে ধান।

করোনা ভাইরাসে সংক্রমণের কারণে দেশের উত্তর পূর্বাঞ্চলের শস্য ভান্ডার হাওরাঞ্চলে তৈরি হয়েছে ধান কাটার শ্রমিকের সংকট। তাই চট্টগ্রাম থেকে পুলিশের বিশেষ ব্যবস্থায় প্রথম পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে একশো নারী ও পুরুষ শ্রমিক। লটডাউনের এ সময় কাজের সন্ধানে বাড়ি যেতে পেরে খুশি শ্রমিকরা।

সমাজিক দূরত্ব নিশ্চিতে জীবানুনাশক পানি ছিটানোর পাশাপাশি মাপা হচ্ছে শরীরের তাপমাত্রা। ৫০ জনের ধারণক্ষমতার বাসে নেওয়া হচ্ছে ২০ জন করে।

চট্টগ্রামের উপ- পুলিশ কমিশনার এম এম মেহেদি হাসান বলেন, এসব শ্রমিকরা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে কৃষি কাজ করে থাকে। আপাতত আমরা ১০০ জন শ্রমিককে পাঠাচ্ছি।

প্রথম পর্যায়ে একশো জনকে নেওয়া হলেও পরবর্তীতে এস আলম গ্রুপের গাড়ির মাধ্যমে পাঠানো হবে আরো ১৪’শ শ্রমিক। দেশের ধান উৎপাদনের ২০ শতাংশের যোগান দেয় হাওরাঞ্চলের কৃষকরা।


আরও পড়ুন