চিলাহাটী-হলদিবাড়ী রুটে চলাচল করবে বাংলাদেশ-ভারতের ট্রেন

নীলফামারীর ডোমার উপজেলার চিলাহাটী ও ভারতের হলদিবাড়ী রেল লাইন নির্মাণ কাজের পরিদর্শন শেষে রেলপথ মন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন এমপি বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০বছর পুর্তির বিভিন্ন অনুষ্ঠান আগামী বছর ভারত-বাংলাদেশ যৌথভাবে উদযাপন করবে। করোনা ভাইরাসের কারনে চিলাহাটী হলতিবাড়ী রেলপথ কাজ কিছুটা পিছিয়ে যাওয়ায় বাংলাদেশ অংশে দেড় কিলোমিটার এবং ভারত অংশের ২শত মিটার কাজ এখনও শেষ করা যায়নি। তবে এক সপ্তাহের মধ্যে বাংলাদেশ অংশের কাজ শেষ হয়ে যাবে।

আগামী বছরের ২৬ মার্চ বাংলাদেশ ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী যৌথভাবে চিলাহাটী-হলদিবাড়ি রুটে রেল চলাচলের উদ্বোধন করবেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সারাদেশে উন্নয়নের অগ্রযাত্রা এগিয়ে চলছে। এরই ধারাবাহিকতায় চিলাহাটি রেল স্টেশনটি আন্তর্জাতিক মানের রেল স্টেশন হিসেবে তৈরী করার কাজ এগিয়ে চলছে।

গত শুক্রবার বিকেলে রেল লাইন নির্মাণ কাজ পরিদর্শন কালে রেলপথ সচিব সেলিম রেজা, রেলপথের পশ্চিমাঞ্চলের এজিএম মেহেরকান্তী গুহ, নীলফামারী-১ আসনের সংসদ সদস্য আফতাব উদ্দিন সরকার, নীলফামারী ৫৬ বিজিবির অধিনায়ক লে.কর্নেল.মামুনুল হক মামুন, জেলা প্রশাসক হাফিজুর রহমান চৌধুরী, পুলিশ সুপার মোখলেছুর রহমান, সহকারী পুলিশ সুপার(ডোমার সার্কেল) জয়ব্রত পাল, প্রকল্প পরিচালক রোকোনুজ্জামান শিহাব,উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান তোফায়েল আহমেদ, উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহিনা শবনম,অফিসার ইনচার্জ মোস্তাফিজার রহমান উপস্থিত ছিলেন।

নীলফামারীর ডোমার উপজেলার ডাঙ্গাপাড়া ভারতীয় সীমান্তবর্তী ৭৮২ পিলার ঘেষে ভারতের সাথে রেল সংযোগসহ বাংলাদেশ ভুখন্ডে চিলাহাটি রেল স্টেশন পর্যন্ত ৬ দশমিক ৭২৪ কিলোমিটার এবং ২দশমিক ৩৬ কিলোমিটার রেললাইন নির্মাণ করা হচ্ছে। দীর্ঘ ৫৫ বছর পরে নীলফামারীর চিলাহাটী থেকে ভারতের হলদিবাড়ী পর্যন্ত ৮০ কোটি ১৬ লাখ ৯৪হাজার টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে নতুন রেলপথ। বিভিন্ন বাণিজ্যিক কর্মকান্ডের লক্ষে বাংলাদেশের চিলাহাটি-ভারতের হলদিবাড়ি রেলপথ নির্মান কাজ শুরু হয় গত বছরের ২১শে সেপ্টেম্বর।

উল্লেখ্য, বৃটিশ শাসনামলে কলকাতা থেকে দার্জিলিং পর্যন্ত এ রেলপথে চলাচল করতে ট্রেন। পাক আসলেও পূর্ব পাকিস্থানের সাথে ভারতে এ রেলপথে ট্রেন চলাচল করতো। ১৯৬৫সালে পাক-ভারত যুদ্ধের সময় দুই দেশের সরকার৬ দশমিক ৭২৪ কিলোমিটার রেললাইন তুলে ফেলায় বন্ধ হয়ে যায় দুই দেশের রেল যোগাযোগ।


আরও পড়ুন