কিশোরগঞ্জে সবজি বাজারে আগুন, দিশেহারা সাধারণ ক্রেতা

কিশোরগঞ্জে অস্থির হয়ে উঠেছে সবজির বাজার। সপ্তাহের ব্যবধানে হু হু করে বাড়ছে প্রায় প্রতিটি সবজির দাম।

কিশোরগঞ্জ জেলার সবচেয়ে বড় কাঁচামালের আড়ত বড় বাজার যেখানে প্রতিদিন ৪০০ থেকে ৫০০ টন কাঁচা ও শুকনো কৃষি পণ্য ক্রয় বিক্রয় করা হয়। সেই বাজারে যখন পেঁয়াজের পাইকারী মূল্য ৮০ টাকা, আদা ১৩৫ টাকা, আলু ৪৫ টাকা, রসুন ৭৫ টাকা, কাঁচামরিচ ২০০ টাকা, হলুদ ১০০ টাকা, গাজর ৬৫ টাকা, করলা ৭৫ থেকে ১০০ টাকা, পেঁপে ৩৫ টাকা, টমেটো ৯০ থেকে ১০০ টাকা, সীম ১০০ থেকে ১৫০ টাকা, উস্তা ৮০ থেকে ১১০ টাকা, বরবটি ৬০ থেকে ৬৫ টাকা, মুখি ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, ঝিঙ্গা ৫০ থেকে ৬০ টাকা, চিচিঙ্গা ৬০ থেকে ৬৫ টাকা, জলপাই ৩২ থেকে ৪০ টাকা, বেগুন ৭০ থেকে ৭৫ টাকা, লাউ ৬০ থেকে ৬৫ টাকা, মিষ্টি লাউ ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি, পটল ৫০ থেকে ৬০ টাকা, কাকরুল ৬৫ থেকে ৭০ টাকা, কপি ৫০ থেকে ৫৫ টাকা, লাল শাক প্রতি আটি ১৫ টাকা, তাছাড়া চাল মোটা এবং ভালোর মধ্যে ৫০, ৪৮, ৫২ টাকা, মুসুর ডাল ৬৫ থেকে ৯০ টাকা, মুগের ডাল ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা, আটা ২৬ থেকে ৩৫ টাকা বর্তমান পাইকারী মূল্য। প্রতি পণ্যের সাথে খুচরা বিক্রেতাগণ ৫ থেকে ১৫ টাকা, কিছু কিছু পণ্যে ৩০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি করে খুচরা বিক্রয় করছেন।

এ বিষয়ে পাইকারী বিক্রেতাদের সাথে কথা বললে কমিশন ও মধ্যস্বত্বভোগীদের কাছে পেঁয়াজের দাম ৭৮ থেকে ৮০ টাকা হয়েছে। ক্রয়মূল্য জানাতে অস্বীকৃতির জানায় বড় বাজারের পাইকারী বিক্রেতাগণ। তারা জানান, পাইকারী যা বিক্রয় করা হচ্ছে তার সাথে ৫ থেকে ৭ টাকা যোগ করে বিক্রয় করছি। এতে বুঝা যায় ৭০ থেকে ৭২ টাকা কিনেছেন মোকাম থেকে বাস্তবে মোকামে খোঁজ নিয়ে জানা যায় ৪০ থেকে ৫০ টাকা ভাল পেঁয়াজ কিনতে পাওয়া যায়। তবু লাগামের বাহিরে চলে যাচ্ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় কৃষি পণ্য।


আরও পড়ুন