জাতীয় - January 27, 2021

রপ্তানী ও শিল্পে ব্যবহারযোগ্য আলুর উৎপাদনে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে : কৃষিমন্ত্রী

কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, আলুকে উন্নতমানের খাবার তৈরীর উপযোগী করে বর্তমানে উৎপন্ন করা হচ্ছে। এতে দেশেই আলু হতে উন্নতমানের চিপস, ফ্রেন্ডসফ্রাইসহ বিভিন্ন খাবার সামগ্রী তৈরী করা সম্ভব হবে। আর অবশিষ্ট আলু রাশিয়াসহ পশ্চিমা দেশগুলোতে রপ্তানী করা হবে।

বুধবার দুপুরে নীলফামারীর ডোমার উপজেলার বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) বীজ আলু উৎপাদন খামার পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথাগুলো বলেন।

তিনি বলেন, আগে ২০ হতে ২৫ টন আলু বীজ হল্যান্ড থেকে আমদানী করা হতো। এখন আর কোন বীজ আমদানী করতে হয় না। বর্তমানে দেশের ৬০ হতে ৭০ টন আলুর চাহিদা মিটিয়ে প্রায় ৩০ হতে ৪০ টন আলু রপ্তানী করা হচ্ছে। আগামী কয়েক বছরের মধ্যে এক কোটি টন আলু বিদেশে রপ্তানী করা হবে। এতে প্রচুর পরিমানে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব হবে।

কৃষিমন্ত্রী আরো বলেন, আমাদের দেশে ৯০ দিনে প্রতি হেক্টরে আলুর গড় উৎপাদন ২০ টন। আর এই খামারে মাত্র ৬৫ দিনে নতুন একটি উদ্ভাবিত জাতের আলু হেক্টর প্রতি ৪৪ টন উৎপাদন করা সম্ভব হয়েছে। এটি আলু উৎপাদনে একটি নতুন সম্ভবনা তৈরী হলো।

কৃষিমন্ত্রী ড. রাজ্জাক বলেন, আলুসহ বিভিন্ন শাকসবজি সংরক্ষনের জন্য ঢাকার পূর্বাচলে আন্তর্জাতিক মানের একটি ল্যাব তৈরী করা হবে। সেখানে সংরক্ষন ও পরিক্ষার পর বিভিন্ন দেশে কৃষিপন্য রপ্তানী করা হবে। এতে বিদেশে পৌঁছানোর পর পণ্যের মান নিয়ে আর কোন সমস্যা হবে না।

এসময় কৃষি সচিব মোঃ মেসবাহুল ইসলাম, বিএডিসি’র চেয়ারম্যান মোঃ সাইয়েদুল ইসলাম, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ আসাদুল্লাহ, বারির মহাপরিচালক নাজিরুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক হাফিজুর রহমান চৌধুরী, পুলিশ সুপার মোখলেছুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি দেওয়ান কামাল আহমেদ, ডোমার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিনা শবনম, সহকারী পুলিশ সুপার জয়ব্রতপাল, অফিসার ইনচার্জ মো: মোস্তাফিজার রহমান প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

শেষে দুপুর আড়াই টার দিকে খামারের হলরুমে রংপুর বিভাগীয় অঞ্চলের কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সকল গবেষণা প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় করে মন্ত্রী।


আরও পড়ুন