দেশের খবর - February 14, 2021

ডোমারে ৪ চোরসহ গ্রেফতার ১১

নীলফামারীর ডোমারে অভিযান চালিয়ে চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধার ও চার চোরসহ ১১ জনকে গ্রেফতার করেছে ডোমার থানা পুলিশ। শনিবার সন্ধ্যা হতে ভোর পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে তাদের বিভিন্ন স্থান হতে গ্রেফতার করা হয়। রবিবার দুপুরে তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এক রাতে ১১ জন আসামীকে গ্রেফতার করায় ডোমার থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মোস্তাফিজার রহমানসহ পুলিশ বিভাগকেসাধুবাদ জানিয়েছে ডোমারবাসী।

ডোমারের সচেতন কয়েকজন ব্যক্তি বলেন, আসামীদের সাথে আঁতাত না করে, এভাবে প্রতিনিয়ত আসামীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায়নিয়ে আসলে অপরাধ শূণ্যের কোটায় নেমে আসবে। তারা ডোমার থানার পুলিশের ওই অভিযানের প্রশংসা ও অফিসার ইনচার্জ মোঃ মোস্তাফিজার রহমানকে ধন্যবাদ জানান।

গ্রেফতারকৃত চুরি মামলার আসামীরা হলেন, উপজেলার ছোট রাউতা গুচ্ছ গ্রামের মৃত আব্দুল সাত্তারের ছেলে মানিক ইসলাম(৩৫), একই গ্রামের ডাঙ্গাপাড়ার ফজলু মিয়ার ছেলে সুমন(১৯), এমদাদুল হকের ছেলে মহিবুল্লাহ ইসলাম বাবু(১৯) ও পাশ্ববর্তী দেবীগঞ্জ উপজেলার ডারারপার এলাকার হাসান আলীর ছেলে ফরহাদ হোসেন (২০)। এবং বিভিন্ন মামলার ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামীরা হলেন, সোনারায় ইউনিয়নের জামিরবাড়ী এলাকার সিদ্দিকুর রহমান (৪২), একই এলাকার আহসান আলী(৪২), কেতকীবাড়ী ইউনিয়নের আব্দুর রাজ্জাক লেবু (৪০), একই এলাকার আব্দুর রহমান (৩৫), নুর আলম (২৭) ও রফিকুল (৫০)। এছাড়াও মাদক মামলায় ডাঙ্গাপাড়ার রেজাউল করিম রাজুর স্ত্রী জেসমিন বেগম (২২)।

পুলিশ জানায়, গত ১৯ জানুয়ারী রাতে ডোমার মরিয়ম চক্ষু হাসপাতালে টিভি, গ্যাসচুলাসহ বিভিন্ন মালামাল চুরি হয়। হাসপাতালেরn ম্যানেজারের অভিযোগের প্রেক্ষিতে শনিবার সন্ধ্যায় মানিক ইসলামকে তার বাড়ি হতে গ্রেফতার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে মানিক চুরির কথাস্বিকার করে তার সহযোগীদের পরিচয় জানায় এবং চুরির মালামাল ডাঙ্গাপাড়া এলাকার রেজাউল করিম রাজুর বাড়িতে আছে বলে জানায়। দ্রুত ডোমার থানার এসআই সাইফুল ইসলাম, এসআই শাহ আলম, ও এসআই কমলেশ চন্দ্র বর্মণের নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স শনিবার সন্ধ্যা হতে ভোর পর্যন্ত বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে। রাজুর বাড়ি হতে টিভি, সাইকেল, গ্যাসচুলা, মইসহ বিপুল পরিমানে চুরি যাওয়া বিভিন্ন মাল উদ্ধার করা হয়। এসময় তিন গ্রাম হিরোইনসহ রাজুর স্ত্রী জেসমিন বেগমকে (২২) গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ বাদি হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে জেসমিনকে আসামীকে করে একটি মামলা দায়ের করে। অপরদিকে ডোমার থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন স্থান হতে ওয়ারেন্টভুক্ত ছয় আসামীকে গ্রেফতার করে।

ডোমার থানা অফিসার ইনচার্জ মোস্তাফিজার রহমান ১১ জনের গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, রবিবার দুপুরে তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।


আরও পড়ুন