দূর পরবাস - March 26, 2021

মিশরে মহান স্বাধীনতা দিবস পালিত

আজ ২৬শে মার্চ ২০২১ (রোজ শুক্রবার) স্থানীয় সময় সকাল ৯টায় মিশররের রাজধানী কায়রোতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে দুতাবাসের কর্মকর্তা, কর্মচারী ও প্রবাসী বাংলাদেশীদের নিয়ে জাতীয় সঙ্গীতের সঙ্গে সঙ্গে পতাকা উত্তোলন করেন মিশরে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মনিরুল ইসলাম।

এরপর মোহাম্মদ ফেরদাউস এর উপস্থাপনায় পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত ও শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নিরবতা পালনের মাধ্যমে স্বাধীনতা দিবসের আলোচনা সভা শুরু হয়।

আলোচনা সভার প্রথমেই ঢাকা থেকে পাঠানো মহামান্য রাষ্ট্রপতির বাণী পাঠ করেন দুতালয় প্রধান জনাব ইসমাঈল হোসেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন তৃতীয় সচিব জনাব আতাউল হক, পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন রাষ্ট্রদূতের ব্যক্তিগত সহকারী রফিকুল ইসলাম ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন প্রশাসনিক কর্মকর্তা ফারুক হোসাইন।

করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে সীমিত সংখ্যক আমন্ত্রিত অতিথি ও প্রবাসী বাংলাদেশীগণ স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর প্রারন্তিক অনুষ্ঠানে আনন্দ ও উৎসবমুখর পরিবেশে অংশ গ্রহন করেন। তারা তাদের বক্তব্যে দেশ, জাতি ও জনগনের প্রতি সহমর্মিতা এবং গৌরব ভাগ করে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

আলোচনা অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত তার বক্তব্যে ৫০তম মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের গৌরবোজ্জ্বল স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি তার বক্তৃতায় জাতির পিতার আদর্শের চেতনায় ও বাংলাদেশের স্বাধীনতার মন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে একটি সুখী সমৃদ্ধ উন্নত দেশ হিসাবে বাংলাদেশকে গড়ার কাজে তার নিজ নিজ অবস্থান থেকে সর্বাত্মক আত্মনিয়োগ করার আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রদূত বলেন, ২০২০-২০২১ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী ও ২০২১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপিত হচ্ছে যা বাঙ্গালী জাতির ইতিহাসে অনন্য মাইলফলক হয়ে থাকবে।

পরিশেষে মোনাজাত পরিচালনার সময় স্বাধীনতা যুদ্ধে এবং পরবর্তিকালে দেশ ও জাতির জন্য আত্মত্যাগকারী সকল শহীদদের এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ তার পরিবারের সকল শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।

বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা ও সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে মিশরের সর্বাধিক প্রচারিত ইংরেজী দৈনিক পত্রিকা ‘দ্যা ইজিপশিয়ান গ্যাজেট’ ও ‘আল- আহরাম’ সহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে রঙ্গিন বিশেষ সংখ্যা, ক্রোড়পত্র প্রকাশিত ও প্রচার করা হয়।

অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত সকলকে দুপুরের খাবারে আপ্যায়িত করা হয়।


আরও পড়ুন