তেল-চিনির বাজারে ফের অস্থিরতা

ভোজ্য তেল ও চিনির বাজারে ফের অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। তিন দিনের ব্যবধানে খুচরা বাজারে চিনির দাম কেজিতে বেড়েছে ১০ টাকা পর্যন্ত। আর ভোজ্য তেল পাম ও সয়াবিনের দাম এক সপ্তাহে কেজিতে বেড়েছে ১০ টাকা।

দাম বৃদ্ধির কারণ হিসেবে ব্যবসায়ীরা বিশ্ববাজারে দাম বাড়ার অজুহাত দিচ্ছেন। এদিকে প্রয়োজনীয় এসব পণ্যের দাম বাড়ায় অস্বস্তিতে রয়েছেন নিম্ন-মধ্য আয়ের মানুষ।

এ প্রসঙ্গে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, চিনিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কিছুটা বেড়েছে। তেলের দামের ক্ষেত্রে আমদানি মূল্যের সঙ্গে স্থানীয় মূল্য পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

শুধু তেল আর চিনি নয়, চলতি সপ্তাহে এক-দুই টাকা করে বেড়েছে সরু চালের দামও। এ ছাড়া আদা-রসুন, সবজি, ব্রয়লার মুরগির দামও কিছুটা বেড়েছে।

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী বাজার ঘুরে দেখা যায়, চায়না আদা এক সপ্তাহ আগে প্রতি কেজি ১৩০ টাকায় পাওয়া যেত। এখন তা বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকায়। রসুন কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে ১৩০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। ব্রয়লার মুরগির দাম নেমে গিয়েছিল তলানিতে। গত সপ্তাহে ১১০ টাকা কেজি পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে। আজ ১৩০ টাকা কেজিতে বিক্রি করছেন খুচরা বিক্রেতারা।

কনজুমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সহসভাপতি নাজির হোসেইন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে নিত্যপণ্যের বাজার ঊর্ধ্বমুখী। সরকারকে কঠোরভাবে বাজার মনিটর করতে হবে।


আরও পড়ুন