করিমগঞ্জ - October 4, 2021

করিমগঞ্জে যুবলীগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা

বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ করিমগঞ্জ উপজেলা শাখার অন্তর্গত ১১ নং নোয়াবাদ ও ২ নং গুজাদিয়া ইউনিয়ন শাখা যুবলীগের কমিটি বিলপ্ত ঘোষনা করা হয়েছে।

বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের গঠনতন্ত্রের ধারা-২৩ মোতাবেক সংগঠনিক কার্যক্রমের স্থবিরতা ও মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ায় কারণে উক্ত কমিটিগুলোকে বিলুপ্ত ঘোষনা করা হয়েছে।

সোমবার (৪ অক্টোবর) সকালে করিমগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী যুবলীগ কার্যালয়ে উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক হাজী আব্দুল কাইয়ূম ও যুগ্ন-আহ্বায় আবু সাদাৎ মোঃ সায়েম এর যৌথ স্বাক্ষরে কমিটি গুলো বিলুপ্ত ঘোষনা করেন।

সদ্য বিলুপ্ত হওয়া নোয়াবাদ ইউনিয়ন যুবলীগ কমিটির সভাপতি ছিলেন মিজবাহ উদ্দিন কাঞ্চন মাষ্টার আর সাধারণ সম্পাদক ছিলেন মোয়াজ্জেম হোসেন মোনায়েম এবং গুজাদিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক ছিলেন আনোয়ারুল ইসলাম আকন্দ।

কমিটি বিলুপ্ত করণ প্রসঙ্গে উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক হাজী আব্দুল কাইয়ূম বলেন, আমরা বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের গঠনতন্ত্র মোতাবেক নিয়মতান্ত্রিকভাবে কমিটিগুলো বিলুপ্ত ঘোষনা করেছি। কমিটিগুলো চলতি সময়ে মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়েছে। বিশেষ করে দুটি ইউনিটেই সাংগঠনিক চমর স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। গুজাদিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটি দেওয়ার কিছুদিন পরেই আহ্বায়ক আনোয়ারুল ইসলাম আকন্দ ইন্তেকাল করেন। পাশাপাশি নোয়াবাদ ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন মোনায়েমও অকাল মৃত্যু বরণ করেন এবং সভাপতি মিজবাহ উদ্দিন কাঞ্চন মাস্টার কমিটি পাওয়ার পর কিছুদিন সাংগঠনিক কার্যক্রমে সরব থাকলেও পরে ব্যবসায়িক করণে স্থায়ীভাবে ঢাকায় অবস্থান নেন। এতে করে দুটি ইউনিটেই সাংগঠনিক কার্যক্রম চরমভাবে ব্যহত হয়। বিশেষ করে গত ৩০ সেপ্টেম্বর জেলা যুবলীগের বর্ধিত সভায় কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ ও জেলা যুবলীগের নির্দেশে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে উপজেলা সম্মেলন করার কঠোর নির্দেশ রয়েছে। তারই প্রেক্ষিতে ইউনিট দুটির কমিটি বিলুপ্ত ঘোষনা করেছি। উপজেলা যুবলীগের আসন্ন সম্মেলনকে সার্থক ও সফল করতে উপজেলার যেসব ইউনিট সাংগঠনিকভাবে দূর্বল সেগুলোকে ভেঙ্গে নতুন নেতৃত্ব সৃষ্টির মধ্যমে সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি করা হবে।

তিনি আরো বলেন, আমি করিমগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের দীর্ঘ ১২ বছর ধরে সাংগঠিন দায়িত্বে রয়েছি। আমার মেধা শ্রম দিয়ে সকল সাংগঠনিক লড়াই সংগ্রামকে যুক্ত থেকেছি। সবসময় চেষ্টা করেছি সংগঠনের ভাবমূর্তি অক্ষুন্ন রাখতে। সেই সাথে সংগঠন থেকে অনেক প্রাপ্তিও মিলেছে। প্রাপ্তিসরূপ বিপুল ভোটে করিমগঞ্জ পৌরসভার দুই দুইভার মেয়র হয়েছি। বিশেষত উপজেলা যুবলীগের আসন্ন সম্মেলনে নতুন নেতৃত্বের হাতে যুবলীগের নেতৃত্ব তুলে দিতে চাই এবং করিমগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ ও জেলা আওয়ামী লীগ চাইলে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব নিতে আমি প্রবল আগ্রহী। সবশেষে করিমগঞ্জ উপজেলা ও জেলা যুবলীগের সকল নেতৃবৃন্দের কাছে আমি চির কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।


আরও পড়ুন