মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের নতুন ডিজি কিশোরগঞ্জের খলিলুর

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট এর পরিচালক (গবেষণা ও পরিকল্পনা) ড. মো. খলিলুর রহমানকে প্রতিষ্ঠানটির মহাপরিচালক (ডিজি) পদে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

মহাপরিচালক পদে যোগদানের পূর্বে তিনি বিএফআরআইয়ের পরিচালক (গবেষণা ও পরিকল্পনা) পদে কর্মরত ছিলেন। এর আগে তিনি ময়মনসিংহস্থ স্বাদুপানি কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এবং স্বাদুপানি উপকেন্দ্র, যশোর এর উপকেন্দ্র প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও তিনি অ্যাকুয়া ড্রাগস ও হালদা নদী উন্নয়ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক হিসেবে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন।

কিশোরগঞ্জ জেলা, তাড়াইল উপজেলা, চরতালজাঙ্গা গ্রামের এই এই কৃতি সন্তান বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাৎস্যবিজ্ঞানে যথাক্রমে ১৯৮৪ সালে স্নাতক ও ১৯৮৫ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। পরবতীতে ১৯৯৪ সালে FAO ফেলোশিপ নিয়ে ইংল্যান্ডের হাল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ও একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০০২ সালে বিশ্বব্যাংক স্কলারশিপ নিয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।
ড. মো. খলিলুর রহমান তার গবেষণার মাধ্যমে দেশে প্রথমবারের মতো পাঙ্গাস মাছের কৃত্রিম প্রজনন ও চাষাবাদ কৌশল উদ্ভাবন করেন এবং অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৯৫ সালে রাষ্ট্রপতি পদক লাভ করেন।

তার দেশি-বিদেশি জার্নালে প্রকাশিত আর্টিকেলের সংখ্যা ৭৪টি। তিনি Ecology and Management of Inland Water and Fishery Resources of Bangladesh শীর্ষক একটি বই রচনা করেন। বইটি দেশ-বিদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের গুরুত্বপূর্ণ পাঠ্য ও রেফারেন্স বই হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। তিনি দেশের মৎস্যসম্পদ উন্নয়নে নিজের অভিজ্ঞতা ও জ্ঞানের পরিধি আরও সমৃদ্ধ করতে বিভিন্ন সেমিনার, সিম্পোজিয়াম ও প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের জন্য ভারত, মালদ্বীপ, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, ফ্রান্স, ইতালি, জার্মানি ও ইংল্যান্ড ভ্রমণ করেন।

২২ অক্টোবর ১৯৬৩ সালে জন্ম গ্রহন করা ড.খলিলুর রহমান এর সহধর্মিণী ড. জুবাইদা নাসরীন আখ্তার বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। উল্লেখ্য, ড. মো. খলিলুর রহমান ১৯৮৭ সালে বিএফআরআইয়ের চাঁদপুরস্থ নদী কেন্দ্রে বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন।


আরও পড়ুন