সাকিবের ব্যাটে চড়ে কোয়ালিফায়ারে কলকাতা

টুর্নামেন্টে টিকে থাকতে হলে জয় চায়, হারলেই ছিটকে যেতে হবে। এমন হাইভোল্টেজ ম্যাচে রয়াল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুকে ৪ উইকেটে হারিয়েছে সাকিবের দল কলকাতা নাইট রাইডার্স।

এ জয়ে কলকাতা চলে গেছে আইপিএলের দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে। সেখানে অপেক্ষায় দিল্লি ক্যাপিটালস। বোলিংয়ে উইকেটশূন্য থাকলেও ব্যাটিংয়ে নেমে জয়সূচক রানসহ সাকিব আল হাসানের ব্যাট ছুঁয়ে এসেছে ৬ বলে ৯ রান ।

সোমবার রাতে শারজায় এলিমিনেটর ম্যাচে টসে জিতে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয় ব্যাঙ্গালুরু অধিনায়ক বিরাট কোহলি। উদ্বোধনী জুটিতে ৪৯ রানের দারুণ এক জুটি গড়ে কোহলি ও দেবদূত। কিন্তু লকি ফার্গুসনের বলে দেবদূত পাড্ডিকেল বোল্ড হয়ে আউট হওয়ার পর আর কেউ তেমন রান করতে না পারলে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৩৮ রান করে ব্যাঙ্গালুরু।

দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩৯ রান করেন কোহলি। বল হাতে ব্যাঙ্গালুরুর ইনিংস একাই ধসিয়ে দেন কেকেআরের ক্যারিবীয় স্পিনার সুনীল নারিন। ৪ ওভারে ২১ রান দিয়ে শিকার করেন চারটি উইকেট।

রান তাড়া করতে নেমে কেকেআরও ওপেনিংয়ে ভালো সূচনা পায়। ৪১ রানের মাথায় শুভমান গিল ব্যক্তিগত ২৯ রান করে আউট হন আসরের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি হার্শাল প্যাটেলের বলে। এরপর ত্রিপাটি দ্রুত সাজঘরে ফিরে গেলে দলের হাল ধরেন আইয়ার ও রানা। দলীয় ৭৯ রানের মাথায় আউট হওয়ার আগে ভেঙ্কটশ আইয়ার ৩০ বলে ২৬ রান করেন।

ব্যাটিংও দুর্দান্ত খেলেছেন সুনীল নারিন। মোহাম্মদ সিরাজের বলে বোল্ড হওয়ার আগে ১৫ বলে ২৬ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেছেন। তার সঙ্গী হয়ে নিতিশ রানা ২৫ বলে ২৩ রানের ইনিংস খেলেছেন। শেষ ওভার প্রয়োজন ছিল ৭ রানের। আর ওভারের প্রথম বলটিই বাউন্ডারি হাঁকিয়ে জয় অনেকটা নিশ্চিত করেন সাকিব। ৫ বলে দরকার পড়ে ৩ রানের। পর পর দুই বলে দুটি সিঙ্গেলস আসলে স্কোর লেভেল হয়। ৪র্থ বলে আরো একটি সিঙ্গেল নিয়ে ম্যাচ জেতান বাংলাদেশি অলরাউন্ডার।

ব্যাঙ্গালুরুর পক্ষে মোহাম্মদ সিরাজ, হার্শেল পাটেল ও যুজবেন্দ্র চাহাল প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট পেয়েছেন। আর হেরে বিদায় নিয়ে শেষ হলো কোহলির আইপিএল অধিনায়কত্বের অধ্যায়।

বুধবার একই মাঠে দিল্লির বিপক্ষে কোয়ালিফায়ার ম্যাচে খেলতে নামবে কেকেআর।


আরও পড়ুন