করিমগঞ্জে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যানের উপর হামলা

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে নির্বাচনী সহিংসতায় প্রতিপক্ষের হামলার শিকার হয়েছেন উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আসমা আক্তার। ঘটনাটি ঘটে উপজেলার গুজাদিয়া ইউনিয়নের গোপীনাথপুর গ্রামে।

হামলায় গুরুতর আহত আসমা আক্তারকে ঘটনাস্থল থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে তার স্বজনেরা। রোগীর শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি দেখে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে কিশোরগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে রেফার করে। তিনি এখন কিশোরগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

আহত আছমা আক্তারের ছেলে ইমন জানান, বুধবার (১০ নভেম্বর) রাত সাড়ে ১১ টার দিকে গোপীনাথপুর তার মামার বাড়িতে গেলে পথিমধ্যে বাবলু মেম্বারের বাড়ির নিকট পৌঁছলে নৌকার প্রার্থী সৈয়দ মাসুদের নেতৃত্বে ১৫ থেকে ২০ জনের একটি গ্রুপ মার উপর আতর্কিত হামলা চালিয়ে মারধোর করে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে সদলবলে চলে যায়।

গোপীনাথপুর গ্রামের মোঃ সেকান্দর মোল্লার ছেলে মোঃ জাকির মোল্লা ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বলেন, ঘটনাটি আমার বাড়ির পাশেই ঘটেছে। তখন আনুমানিক রাত ১টার উপরে। হাঠাৎ লোকজনের চিৎকার শুনে বাহির হয়ে দেখি কাকে যেন কিছু লোক পেছন থেকে ধাওয়া করছে। আমিও পেছন পেছন গিয়ে দেখি উনি আছমা আক্তার। ততক্ষসে রক্তাক্ত অবস্থায় অজ্ঞান হয়ে মাটিতে পড়ে রয়েছে। আশেপাশের লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে। এদিকে ধাওয়াকারীরাও পালিয়ে যায়। তখন আশপাশের লোকজনের কাছ থেকে শুনতে পাই আহতরআছমা আক্তার এ ওয়ার্ডের মাইক প্রতীকের সংরক্ষিত মহিলা প্রার্থী ফারজানা আক্তার মরিয়মের পক্ষে টাকা দিয়ে ভোট কিনতে আসলে প্রতিপক্ষ প্রার্থীর সমর্থকদের হামলার শিকার হন তিনি।

এদিকে বিষয়টি জানতে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সৈয়দ মাসুদ জানান, এ ঘটনায় কিংবা আমার কোনো কর্মী সমর্থক কেহই জড়িত নয়। নৌকার পক্ষে ভোটের মাঠের ইমেজকে কুক্ষিগত করার জন্য আমার বিরুদ্ধে এ মিথ্যা অভিযোগ করেছেন তিনি।


আরও পড়ুন