জাতীয় - প্রচ্ছদ - January 20, 2022

অবশেষে ৩৮ হাজার শিক্ষক নিয়োগে সিদ্ধান্ত

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক হিসেবে যোগদানের জন্য ৩৮ হাজার ২৮৩ জন চাকরিপ্রার্থীর অবশেষে অপেক্ষার অবসান হচ্ছে। পুলিশ ভেরিফিকেশন চলমান রেখেই তাদের নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি মন্ত্রণালয়ের এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের এক কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, স্কুল-কলেজগুলোয় অনেক শিক্ষকের পদ ফাঁকা। আমরা পুলিশ ভেরিফিকেশন চলমান রেখেই তাদের নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

কবে নাগাদ নিয়োগ কার্যক্রম শুরু হতে পারে এমন প্রশ্নের জবাবে ওই কর্মকর্তা বলেন, শিক্ষকদের নিয়োগের জন্য আমাদের সিদ্ধান্ত ইতোমধ্যে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। আশা করি, তারা খুব দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করবে। নিয়োগের পর পুলিশ ভেরিফিকেশনে কারও বিরুদ্ধে বিরূপ অভিযোগ এলে তা এনটিআরসিএকে জানানো হবে। সে ক্ষেত্রে তখন বাতিল হবে তাদের নিয়োগ।

এনটিআরসিএর তৃতীয় বিজ্ঞপ্তির আওতায় প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত ৩৮ হাজার ২৮৩ জন প্রার্থীর নিয়োগ পুলিশ ভেরিফিকেশনের কারণে প্রায় তিন বছর আটকে ছিল। উত্তীর্ণ হয়েও চাকরিতে যোগ দিতে না পারায় হতাশ হয়ে পড়েছিলেন এসব চাকরিপ্রত্যাশী। এনটিআরসিএ সূত্র জানায়,

সারাদেশে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে ৫৪ হাজার ৩০৪ জন শিক্ষক নিয়োগের জন্য ২০১৮ সালের ২৮ নভেম্বর বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধনের এই প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় ২০১৯ সালের ১৯ এপ্রিল। প্রিলিমিনারিতে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের লিখিত পরীক্ষা হয় ২০১৯ সালের জুলাইয়ে। এর পর মৌখিক পরীক্ষা হয় ওই বছরের ১২ নভেম্বর থেকে ২০২০ সালের ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত। প্রিলিমিনারি, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা শেষে চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয় গত বছরের ১৫ জানুয়ারি।

জানা গেছে, ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মধ্য থেকে স্কুল ও কলেজে শিক্ষক নিয়োগের জন্য গত বছরের ৩০ মার্চ তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এনটিআরসিএ। গণবিজ্ঞপ্তির আলোকে ৪ এপ্রিল আবেদন গ্রহণ শুরু হয়ে শেষ হয় ৩০ এপ্রিল। গত ১৫ জুলাই ৩৮ হাজার ২৮৩টি পদে নিয়োগের সুপারিশ করে এনটিআরসিএ। এর মধ্যে ৩৪ হাজার ৬০৭টি এমপিওভুক্ত পদ ও ৩ হাজার ৬৭৬টি নন-এমপিও পদে নিবন্ধিত প্রার্থীদের নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়।


আরও পড়ুন