২-৩ দিনের মধ্যে তেলের বাজার স্বাভাবিক হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, ‘আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমলে তার প্রভাব আমাদের বাজারেও পড়বে। তখন তেলের দাম কমবে। এ ছাড়া এখন বাজারে তেল না থাকার যে সংকট সেটি আগামী কয়েকদিনের মধ্যে কেটে যাবে।’

আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠান শেষে এ কথা বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী। ভূমি বাংলাদেশ নামের প্রতিষ্ঠানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন তিনি।

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, ‘গত ৫ মে নতুন দাম নির্ধারণের পর ৬ ও ৭ মে সাপ্তাহিক বন্ধ ছিল। ফলে পেমেন্ট (মূল্য পরিশোধ) করে মাল নিয়ে তা ডিস্ট্রিবিউশন (সরবরাহ) করতে সময় লেগেছে ব্যবসায়ীদের। এর বাইরে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী আগের দামের কিছু তেল লুকিয়ে রেখেছিল। সেটাও তারা বের করছিল না। এ জন্য সংকট হয়েছে। আমরা পদক্ষেপ নিচ্ছি, আশা করি দুই-তিন দিনের মধ্যেই তেলের বাজার স্বাভাবিক হয়ে যাবে।’

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযান বন্ধে ব্যবসায়ীদের দাবির বিষয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন,‘যতক্ষণ পর্যন্ত তারা ঠিকমতো সাপ্লাই(সরবরাহ) দেওয়া শুরু না করবে, ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা বাজারে অভিযান অব্যাহত রাখব। ’

সরকারিভাবে তেল আমদানির ব্যাপারে টিপু মুনশি বলেন, ‘আমরা সবকিছু নিয়ে কাজ করছি। আমরা আশাবাদী হয়ত জুন মাস থেকে টিসিবির মাধ্যমে তেল আমদানি করতে পারব।’

তেল আমদানিতে শুল্ক প্রত্যাহার করতে এফবিসিসিআই-এর করা আবেদনের বিষয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সবকিছুর ট্যাক্স কমানোর দপ্তর হচ্ছে ন্যাশনাল বোর্ড অব রেভিনিউ। আমরা শুধু চিঠি দিতে পারি। আমাদের চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে ১০ শতাংশ তারা কমিয়েছে। এখন ভ্যাট ৫ শতাংশ আছে। আমরা চিঠি দেবো সেটা কমানোর জন্য। ’

প্রতিবেশী দেশগুলোর চেয়ে দেশে কম দামে ভোজ্যতেল বিক্রি হচ্ছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘এই মুহূর্তে ভারত থেকে ১৩-১৪ টাকা কমে তেল বিক্রি করছি। পাকিস্তান থেকে আমাদের টাকায় প্রায় ৩৬ টাকা কমে বিক্রি করছি। নেপালের প্রাইস (দাম) একই রকম আছে। আন্তর্জাতিক বাজারে না কমলে আমাদের পক্ষে কমানো সম্ভব হবে না। আমাদের ডিপেন্ডেন্সি (নির্ভরতা) এখনো ৯০ শতাংশ বাইরের দেশের ওপর।’


আরও পড়ুন