ভৈরবে তুচ্ছ ঘটনায় দুইপক্ষের সংঘর্ষ, গুলি

ভৈরবে তুচ্ছ ঘটনায় দুইপক্ষের সংঘর্ষে তিনজন গুলিবিদ্ধসহ ২০ জন আহত হয়েছেন। এ সময় ১০টি দোকান ভাঙচুর লুটপাট করা হয়। সংঘর্ষ থামাতে পুলিশ ৪২ রাউন্ড শটগানের গুলি ছোড়ে।

শনিবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে শহরের ভৈরবপুর এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। পুলিশের গুলিতে গুরুতর আহত ইমতিয়াজ আহমেদকে (৩৫) উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

আহত ইমতিয়াজ ভৈরবপুর উত্তরপাড়া এলাকার আবুসাঈদের ছেলে। এছাড়াও গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন একই এলাকার মৃত শাহাবুদ্দিনের ছেলে অপু (২৭), জামাল মিয়ার ছেলে দুর্জয় (২২)। অন্যান্য আহতরা হলেন- রাবিম (১৬), রাফসা (৬), মবিন (২০), রাশিদ মিয়া (২৫) ও খোকন মিয়া (১৪)। তারা অনেকে ইটপাটকেলের আঘাতে আহত হয়েছেন।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত (রাত ৭টা) সংঘর্ষ চলছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। কী ঘটনা নিয়ে দুইপক্ষের মধ্য সংঘর্ষ হয়েছে কেউ বলতে পারছেন না।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত ডা. রৌশন আরা নিপা জানান, তিনজন গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে আসেন। এদের মধ্য ইমতিয়াজ নামের এক যুবকের অবস্থা গুরুতর বলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। এ পর্যন্ত আহত ২০ জনের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে, গুলিবিদ্ধ দুইজনকে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়েছে।

ভৈরব থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) মো. কায়সার আহমেদ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য চেষ্টা করছে।

দুইপক্ষের লোকেরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষের সময় পুলিশের ওপর আক্রমণ করলে পুলিশ আত্মরক্ষার্থে ৪২ রাউন্ড শটগানের গুলি ছোড়ে। সংঘর্ষ থামাতে পুলিশ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে তিনি জানান।


আরও পড়ুন