আবার… অতি ভারি বৃষ্টি ও ভূমিধসের আশঙ্কা

ডেস্ক রিপোর্ট : দেশের কোথাও কোথাও ভারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টি ও পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের আশঙ্কা রয়েছে।

শনিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার ভারি বৃষ্টি ও ভূমিধসের সতর্কতার কথা জানিয়েছিল আবহাওয়া অধিদপ্তর। এই সময়ে চট্টগ্রামে ৪১, সীতাকুণ্ডে ৫৭, রাঙামাটি ২৭, সিলেট ২৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। রোববারও সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার জন্য ভারি বৃষ্টি ও ভূমিধসের সতর্কতা দিয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, সক্রিয় মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে রোববার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে।

আবহাওয়াবিদ মো. অবদুর রহমান খান জানান, ভারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টির কারণে সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি এলাকার কোথাও কোথাও ভূমিধসের আশঙ্কা রয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, মৌসুমী বায়ুর অক্ষ রাজস্থান, উত্তরপ্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে উত্তর-পূর্ব দিকে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমী বায়ু বাংলাদেশের ওপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় বিরাজ করছে।

রোববার সন্ধ্যা ৬টা থেকে আগামী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সে সাথে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে।

পূর্বাভাসে আরো বলা হয়েছে, দেশের দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ৪ ডিগ্রি সে. পর্যন্ত হ্রাস পেতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টার আবহাওয়ার অবস্থার উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই।

নদী বন্দরের সতর্কতায় বলা হয়েছে, আজ রাত ১টা পর্যন্ত সময়ে রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলসমূহের ওপর দিয়ে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিমি বেগে বৃষ্টি/বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দর সমূহকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

Comments

comments

You might also like More from author

Leave A Reply

Your email address will not be published.

মুক্তিযোদ্ধার কন্ঠ