ঢাবি প্রতিনিধি ।। বাঙালি জাতির স্বাধীনতা সংগ্রামের ডাক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের যে স্হান থেকে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দিয়েছিলেন সেই স্থানটি শিশুপার্কের চার দেয়ালে অবরুদ্ধ থাকায় তা উন্মক্ত করার দাবি জানিয়েছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী সচেতন শিক্ষার্থীবৃন্দ।
স্বৈর শাসক খুনি জিয়া কর্তৃক মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতির চেষ্টা রুখে দেয়ার আহ্বান জানায় মুক্তিযোদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী সচেতন ছাত্রসমাজ। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রদত্ত ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের স্মৃতি বিজড়িত স্থান দ্রুত সর্ব সাধারণের জন্য উন্মুক্ত এবং সেখানে মঞ্চ সম্বলিত বঙ্গবন্ধু’র ভাস্কর্য নির্মাণের দাবিতে আজ ও অবস্থান কর্মসূচী অব্যহত রেখেছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী সচেতন শিক্ষার্থীবৃন্দ।

অবস্থান কর্মসূচীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আল মামুন বলেন, ” শিশু পার্কের ভিতরে অযত্ন অবহেলায় পড়ে থাকা ঐতিহাসিক স্থানটি দ্রুত উন্মুক্ত করে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার দাবি জানান। মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের ধারক বাহক জাতির পিতার স্মৃতি বিজড়িত জায়গা যেখানে দাঁড়িয়ে বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন। এই জায়গায় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে পাকিস্তান বাহিনী আত্মসমর্পণ করেছিলো। বঙ্গবন্ধু আমাদের আদর্শ। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর চেতনা মুছে ফেলার জন্য অবৈধ স্বৈরশাসক জিয়া কৌশলে এই শিশু পার্ক নির্মাণ করে ৭ মার্চের ভাষণের জায়গাটি অবরুদ্ধ করে কৌশলে ঢেকে রাখে যাতে শিশুরা মহান মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানতে না পারে। বারবার দাবি করার পরও আজ পর্যন্ত যথাযথ কর্তৃপক্ষ স্থানটি উন্মুক্ত করার ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি যা তরুণ প্রজন্মের কাছে অত্যন্ত দুঃখজনক। বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি বিজড়িত এই জায়গাটি দ্রুত উন্মুক্ত ও জাতির পিতার ভাস্কর্য নির্মাণ না করা পর্যন্ত আমাদের অবস্থান কর্মসূচী চালিয়ে যাবো। “
নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার দাবি জানান। মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের ধারক বাহক জাতির পিতার স্মৃতি বিজড়িত জায়গা যেখানে দাঁড়িয়ে বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন। এই জায়গায় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে পাকিস্তান বাহিনী আত্মসমর্পণ করেছিলো। বঙ্গবন্ধু আমাদের আদর্শ। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর চেতনা মুছে ফেলার জন্য অবৈধ স্বৈরশাসক জিয়া কৌশলে এই শিশু পার্ক নির্মাণ করে ৭ মার্চের ভাষণের জায়গাটি অবরুদ্ধ করে কৌশলে ঢেকে রাখে যাতে শিশুরা মহান মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানতে না পারে। বারবার দাবি করার পরও আজ পর্যন্ত যথাযথ কর্তৃপক্ষ স্থানটি উন্মুক্ত করার ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি যা তরুণ প্রজন্মের কাছে অত্যন্ত দুঃখজনক। বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি বিজড়িত এই জায়গাটি দ্রুত উন্মুক্ত ও জাতির পিতার ভাস্কর্য নির্মাণ না করা পর্যন্ত আমাদের অবস্থান কর্মসূচী চালিয়ে যাবো। “
ছাত্রনেতা আমিনুল ইসলাম বুলবুল বলেন “বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার কাছে মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মের দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি, জাতির পিতার স্মৃতি বিজড়িত ঐতিহাসিক স্থানটি সবার জন্য উন্মুক্ত করে মঞ্চ সম্বলিত জাতির পিতার ভাস্কর্য নির্মাণের ব্যবস্থা করে দেয়া।”
পরে বিকাল ৪ টায় সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আ ক ম জামাল উদ্দিন ।
এই সময় আরো উপস্থিত ছিলেন আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ সম্পাদক অভিজিৎ সরকার,ছাত্রনেতা হাসানুর রহমান হাসু, শরীফুল ইসলাম সাগর, মাহবুব খান, শের সম্রাট, ইব্রাহিম রাসেল, মিজানুর রহমান জনি,রেজাউল করিম রেজা,পারভেজ মোল্লা, মামুন বিন সাত্তার প্রমুখ।