খুনিদের সর্বোচ্চ শাস্তি প্রত্যাশা আইভিপুত্র বিসিবি সভাপতি পাপনের
আগামীকাল বুধবার (১০অষ্টোবর) যুগান্তকারী সেই রায়কে সামনে রেখে আগে আজ (৯ অক্টোবর) মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর গুলশানে নিজ বাসভবনে প্রত্যাশার কথা জানালেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি আলহাজ্ব নাজমুল হাসান পাপন।
তিনি বলেন, আসলে ব্যাপারটা একটু ভিন্ন। ওই সময় যখন ঘটনা ঘটেছিলো তাতে মনের মধ্যে ক্ষোভ-দুঃখ ও কষ্ট ছিলো। মনে হচ্ছিলো যারা এর সঙ্গে জড়িত সবার বিচার হবে। তারপর একটা সময় আশাই ছেড়ে দিলাম যে, এটার কোন বিচার হবে না! যখন নাকি জজ মিয়া অ্যান্ড আদার্স নিয়ে আসলো তখন বুঝলাম এটার কোন বিচারই হবে না।
তারপরে যখন সরকার পরিবর্তন হলো প্রধানমন্ত্রী আসলেন- এক এক করে বিচার ধরলেন, ২১ আগস্টের বিচার ধরলেন, তারপরে শুরু হলো লম্বা ট্রায়াল এবং সবচেয়ে বড় কথা আমি ওখানে সাক্ষী দিতে গিয়েছি। যাওয়ার পরে একটা জিনিসই আমার মনে হয়েছে যে, আসলে কোন ফাঁক-ফোকর রাখছে না। সরকার চেষ্টা করছে যত ভালভাবে করা যায়, করা হোক। প্রচুর সাক্ষী, সবার কথা শুনছে।
সময় নিচ্ছে, প্রমাণাদি দেখছে, সবকিছু করছে। এটা করতে গিয়ে লম্বা সময় চলে গেছে। অনেক দিন। ওইদিক দিয়ে চিন্তা করে মাঝেমধ্যে মনে হয়েছে তাড়াতাড়ি হয় না কেন? দেরি হচ্ছে কেন? আল্টিমেটলি আমার একটা ধারণা হয়েছে- হলে ভালোভাবেই হওয়া উচিত।
তাড়াহুড়োর কোন দরকার নেই, নিরীহ কেউ যেন এর মধ্যে না ফাঁসে। এটার সঙ্গে শুধুই যারা জড়িত তাদের যেন বিচার হয়। আমার ধারণা এখন পর্যন্ত আমি যে সমস্ত… এটা যেহেতু খুব সেনসিটিভ এটা নিয়ে আমি কারো সঙ্গে কথাও বলি না। জানতে চাইলে জানতেই পারি, আমি জানতেও চাই না।
তবে আমার বিশ্বাস যারা দোষী তাদের শাস্তি ও সর্বোচ্চ শাস্তি হবে।মামলার ১৮ জন পলাতক আসামিরও বিচার হবে বলে আশা প্রকাশ করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন বলেন, মামলার ১৮ জন দেশের বাইরে পলাতক। আশা করছি, কালকের রায়ে তাদের কোন না কোন সাজা হবে।
পলাতক আসামিদের দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে জানতে চাইলে পাপন বলেন, “এরকম অনেকেই আছে। ১৫ আগস্টের হত্যাকারীরাও বাইরে আছে। ওদের যেমন আনার চেষ্টা চলছে, আমি নিশ্চিত এই রায় হয়ে গেলে এবং তাদের শাস্তি হয়ে গেলে তাদেরও দেশে আনা হবে। চেষ্টা তো করবে সরকার। আনতে পারবে কি না জানি না। আমার ধারণা সর্বাত্মক চেষ্টা করা হবে।