মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সজ্জিত শিবচর
মোঃ নুরুজ্জামান শিকদার (রাজু) ।। ঢাকা থেকে পদ্মা নদী পার হলেই মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলা। এটি নির্বাচনী এলাকা-২১৮,মাদারীপুর-১। এখানকার বর্তমান সংসদ নুর-ই-আলম চৌধুরী (লিটন)। তিনি একাধারে ৬ বার নির্বাচিত। তিনি বঙ্গবন্ধুর নাতি এবং প্রধানমন্ত্রীর খালাতো ভাইয়ের ছেলে। ১৯ টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা নিয়ে শিবচর উপজেলা। ঢাকা-ভাংগা মহাসড়ক থেকে একটু ভিতরে শিবচর পৌরসভা।
শিবচর পৌরসভাটি সাজানো হয়েছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে কেন্দ্র করে। রাস্তার প্রতিটি মোড়ে মোড়ে আছে মুক্তিযোদ্ধাদের ভাস্কর্য। আছে বুদ্ধিজীবীর স্তম্ভ।বিভিন্ন রাস্তার নাম করন করা হয়েছে বিভিন্ন মুক্তিযোদ্ধা ও ভাষা শহিদের নামে।বিদ্যালয়ের বিভিন্ন ভবনের নাম ও দেয়া হয়েছে মুক্তিযোদ্ধাদের নামে।এছাড়াও বাজারের প্রতিটি দোকানের রঙ করা হয়েছে জাতীয় পতাকার রঙ লাল সবুজ দিয়ে।
শিবচর পোরসভায় ঢোকার সময় প্রথমে চোখে পড়বে বিজয় চত্ত্বর, যেখানে আছে ত্রিমাতৃক ছবি, একপাশে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু, একপাশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, অন্যপাশে আছে দাদা ভাই ইলিয়াছ আহমেদ চৌধুরীর ছবি। তার প্রায় এক কিলোমিটার সামনে গেলে শিবচর পৌরসভা, তার সামনে আছে প্রবাহমান-৭১। ভাসমান নৌকার উপর মুক্তিযোদ্ধাদের ভাস্কর্য। এটার ৫০০ মিটার সামনে গেলে কলেজ মোড় সেখানে আছে স্বাধীনতা চত্ত্বর। এছাড়াও বুদ্ধিজীবীর স্তম্ভ, ৭১-চত্ত্বর, মুক্ত বাংলা রয়েছে।
এইসব মুক্তিযোদ্ধাদের ভাস্কর্য ও লাল সবুজে ঘেরা শিবচর দেখে, অনেক মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা প্রসংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন। অনেক দূর দুরান্ত থেকেও লোকজন আসে দেখার জন্য। কিছুদিন আগে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪র্থ বর্ষের ছাত্রছাত্রীরা দেখে মুগ্ধ হয়েছে।তারা এইসব ভাস্কর্য দেখে তারা অনেক অনুপ্রাণিত হয়েছে। এলাকাবাসী এইসব স্তম্ভ আর ভাস্কর্য নিয়ে গর্ব করে।
উচ্চ মাধ্যমিক ১ম বর্ষের ছাত্রী মালিহা জাহান বলেন, আমরা এইসব স্তম্ভ আর ভাস্কর্য দেখে মুক্তিযুদ্ধর ইতিহাস সম্পর্কে জানার আগ্রহ বাড়ে।
জাহিদ হাসান নামের এক স্বাস্থ্য সহকারী বলেন, এসব আমদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানতে সাহায্য করে।