মূল সংবাদে যান
২৪ আগস্ট ২০২৬

শেয়ার করুন

আখাউড়া-চান্দুরা সড়ক এখন মরণ ফাদঁ

মোঃ দ্বীন ৮৩ বার পঠিত ২ মিনিটের পাঠ

ব্রাক্ষণবাড়িয়ার আখাউড়া-চান্দুরা সড়ক দিয়ে যাতায়াত করেন বিজয়নগর, আখাউড়া, হবিগঞ্জের মাধবপুরের মানুষ। জনবহুল সড়কের বিভিন্ন স্থানে পিচ উঠে খানাখন্দ দিয়ে চলাচলে দুর্ভোগে চালক ও যাত্রীরা।

উপজেলা প্রকৌশল অধিদফতর তথ্যানুযায়ী, আখাউড়া-বিজয়নগরের আখাউড়া থেকে চম্পকনগর ১০ কিলোমিটার ও চম্পকনগর থেকে চান্দুরা ৯ কিলোমিটার সড়ক রয়েছে। এ সড়কটি ২০১০ সালে নির্মাণের পর ২০১৭ সালে সড়কটির সর্বশেষ সংস্কার করা হয়।

খড়মপুর, দুর্গাপুর, আজমপুর, সিঙ্গারবিল, পত্তন, শ্রীপুর, নোয়াগাও, চম্পকনগর, খাটিখাতাসহ কয়েকটি স্থানে সড়ক ভেঙে বেহাল দশা। সড়কটি গাড়ি চলাচলে অনুপযোগি। অনেকে অসহায় হয়ে ঝুাঁকুনি খেয়ে পাড়ি দিচ্ছেন এ সড়ক। এমন চিত্র দেখা গেছে।

সিএনজি চালিত অটোরিকশা চালক মো. সুরুজ মিয়া বলেন, এ সড়ক দিয়ে যানবাহন চলাচল করতে গিয়ে ভয় করে। প্রায় সময় গর্তে চাকা পড়ে গাড়ি আটকে যায়। সড়কের বিভিন্ন স্থানে পিচ উঠে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হওয়ায় সপ্তাহে একবার গাড়ি গ্যারেজে ঢুকাতে হয়।

ট্রাক চালক মো. মুখলেছ মিয়া বলেন, ট্রাক উল্টে যাওয়ার ভয় নিয়ে এ সড়কে গাড়ি চালাই।  এ সড়কে ট্রাক উল্টে যাওয়ার অনেক দুর্ঘটনা ঘটেছে। পরিবার ও পেটের জন্য ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হয়। সড়কটি দ্রুত সংস্কার করার অনুরোধ জানাই।

কলেজ শিক্ষার্থী মো. শওকত হোসেন ও কাজী লুবনা আক্তার বলেন, বিজয়নগরের চম্পকনগর থেকে সড়ক দিয়ে প্রতিদিন কলেজে আসা যাওয়া করতে হয়। সড়কটির অবস্থা খারাপ থাকায় যাতায়াতে কষ্ট হয়।

পথচারী মো. ইকবাল হোসেন বলেন, সড়কটির বিভিন্ন স্থানে খারাপ থাকায় খুবই কষ্ট করে যাতায়ত করি। আখাউড়া থেকে চান্দুরা একবার যাতায়াত করলে শরীরে ব্যথা হয়ে যায়।

পত্তন এলাকার হারুন মিয়া বলেন, এ উপজেলার ১০ ইউপির জন্য এ সড়কটি গুরুত্বপুর্ণ। এ সড়ক দিয়েই আমাদের চলাচল করতে হয়। সড়ক খারাপ থাকায় চলাচলে দুর্ভোগ বাড়ছে।

বিজয়নগর উপজেলার নির্বাহী প্রকৌশলী জামাল উদ্দিন বলেন, কয়েক মাস ধরে সড়কের অবস্থা খারাপ হতে চলছে। সড়কটি সংস্কারের জন্য মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।