মূল সংবাদে যান
২৪ আগস্ট ২০২৬

শেয়ার করুন

শ্যালিকাকে বিয়ে করতে না পেরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা

মো. খালেদ মোশাররফ সোহেল ৯৮ বার পঠিত ২ মিনিটের পাঠ

বরগুনার তালতলীতে আপন শ্যালিকাকে বিয়ে করতে না পেরে নিজ ঘরের আড়ার সাথে দড়ি বেঁধে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে ২সন্তানের জনক জাকির ফকির (৩২)। উপজেলার সোনাকাটা ইউনিয়নের ছোটআমখোলা গ্রামে শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

একাধিক সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার ছোটআমখোলা গ্রামের মফিজ উদ্দিন ফকিরের পুত্র জাকির ফকিরের সাথে প্রায় ১০বছর আগে পার্শ্ববর্তী খালেক সরদারের কন্যা আইরিনের প্রেমবিনিময়ের এক পর্যায় বিয়ে হয়। দীর্ঘদিন ধরে তাদের এ সুখের সংসারে ইতিমধ্যে ১পুত্র ও ১কন্যা সন্তানের জন্ম নেয়। জাকির ফকিরের ১৭ বছর বয়সী শ্যালিকা (সুমি আক্তার) তার বাড়ীতে থেকে স্থানীয় লাউপাড়া সাগর সৈকত মাধ্যমিক বিদ্যালয় ১০ম শ্রেণিতে লেখাপড়া করে। সেই সুবাদে ওই শালিকার সাথে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে ওঠে তার। ওদের সম্পর্ক গভীর থেকে গভীরতর হলে জাকির ফকির শ্যালিকাকে বিয়ে করার জন্য পাগল হয়ে যায়। শ্যালিকাকে বিয়েতে তার স্ত্রী আইরিন বেগম বাঁধা দিলে তাকে অনেক মারধর করে জাকির।

ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হলে গত ২/৩দিন আগে জাকিরের অজান্তে আইরিন তার মাকে নিয়ে বোনকে চট্টগ্রামের এক আত্মীয়ের বাসায় পাঠিয়ে দেয়। জাকির শ্যালিকাকে বিয়ে করতে না পেরে আত্মহত্যা করার জন্য শনিবার বাজার থেকে বিষ কিনে আনেন। আইরিন দেখতে পেয়ে স্বামীর হাত থেকে বিষের বোতল ছিনিয়ে নেন। এতে জাকির আরও ক্ষিপ্ত হয়ে শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে স্ত্রী আইরিনকে মারধর করে ঘর থেকে নামিয়ে দিয়ে ঘরের আড়ার সাথে রশি বেঁধে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন।

তালতলী থানার ওসি শেখ শাহিনুর রহমান জানান, ঘরের আড়ার সাথে রশি বেঁধে আত্মহত্যাকারী জাকিরকে উদ্ধার করে বরগুনা মর্গে প্রেরন করা হয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে।