অপহরণের ৩০ দিন পর নবম শ্রেণির ছাত্রী উদ্ধার
বরগুনার আমতলীতে অপহৃত নবম শ্রেনীর ছাত্রী মৌসুমী (১৪) কে উদ্ধার করেছে আমতলী থানা পুলিশ। অপহরনের দীর্ঘ ৩০ দিন পর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭:০০ টায় আমতলী বাধঘাট চৌরাস্তা থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআই ফয়সালের নেতৃত্বে অপহৃত স্কুল ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়।
উল্লেখ্য যে, গত ৫ আগষ্ট আমতলী এ,কে সরকারী মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ছাত্রী মৌসুমী (১৪) কে অপহরন করে নিয়ে যায় চলাভাঙ্গা গ্রামের শামীম হাওলাদার। এরপর মেয়ের বাবা জামাল হোসেন অনেক চেষ্টা করেও উদ্ধার করতে না পেরে গত ২৫ আগষ্ট বরগুনা বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুন্যালে শামীম হাং (২২), নাসির হাং (৪২), নাছিমা বেগম (৪০) ও গেন্দু হাং (৫৭) কে আসামী করে মামলা দায়ের করেন। বিজ্ঞ আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে এফ আই আর
গ্রহণ করে স্কুল ছাত্রীকে উদ্ধারের আদেশ প্রদান করেন।
এর ভিত্তিতে অপহরনের দীর্ঘ ৩০ দিন পর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭:০০টায় আমতলী বাধঘাট চৌরাস্তা থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআই ফয়সালের নেতৃত্বে অপহৃত স্কুল ছাত্রীকে আমতলী থানা পুলিশ উদ্ধার করে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, আমতলী উপজেলার চাওড়া ইউনিয়নের মধ্যচন্দ্রা গ্রামের জামাল হোসেনের কন্যা আমতলী এ,কে সরকারী মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনীর ছাত্রী মৌসুমি প্রতিদিনের ন্যায় ৫ আগষ্ট বাড়ী থেকে স্কুলের সামনে পৌছা মাত্র মামলার আসামী উপজেলার চলাভাঙ্গা গ্রামের নাসির হাওলাদারের পুত্র শামিম হাওলাদার (২২) একটি মটরসাইকেলে এসে পিছন থেকে ঐ ছাত্রীর মুখ চেপে ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোড় পূর্বক মটরসাইকেলে উঠিয়ে নিয়ে যায়।
স্কুল ছাত্রীটি স্কুল থেকে বাড়ী ফিরে না যাওয়ায় অনেক খোঁজাখুঁজি করে ও তাকে পাওয়া যায়নি বলে তার পরিবার সূত্রে জানা যায়। ঐদিন রাতে স্কুল ছাত্রী মোবাইলফোনে পিতা জামাল হোসেনকে জানান তাকে জোড় করে ধরে নিয়ে মামলার আসামী শামিম হাওলাদার তার বাড়ীতে একটি ঘরের মধ্যে তালাবদ্ধ করে রেখেছে।
এ খবর শুনে স্কুল ছাত্রীর পিতা জামাল হোসেন মামলার আসামী শামীমের বাড়ীতে গিয়ে খোঁজ নিতে গেলে শামিম ও তার পরিবারের লোকজন জানান, স্কুল ছাত্রীকে শামীমের সাথে বিবাহ দিলে তার মেয়েকে বের করে দিবেন। এদিকে শামিম হাওলাদারের স্বপ্না নামে এক স্ত্রী রয়েছে।
আমতলী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আবুল বাশার জানান, অপহৃত স্কুল ছাত্রী মৌসুমীকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং আসামীদের ধরার প্রক্রিয়া চলছে।