পদ্মায় দুই স্পিডবোটের সংঘর্ষে নিখোঁজ ৩ জেলের লাশ উদ্ধার
শরীয়তপুরে জাজিরায় পদ্মা নদীতে নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে মা ইলিশ শিকার করার সময় দুটি স্পিডবোটের সংঘর্ষের ঘটনায় নিখোঁজ আরও তিন জেলের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে ওই ঘটনায় মোট চারজনের লাশ উদ্ধার করা হলো।
গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে জাজিরার বড়কান্দি এলাকার পদ্মা নদী থেকে লাশ তিনটি উদ্ধার করে পুলিশ।
যাদের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে তারা হলেন জাজিরার পূর্বনাওডোবা কাদির মোড়লেরকান্দি গ্রামের আব্দুল মান্নান, মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলার উত্তর জমিলদিয়া গ্রামের বাচ্চু মাদবর এবং ভোলার মনপুরা উপজেলার সেনারচর গ্রামের নিয়াজ উদ্দিন।
ইলিশ শিকারে গিয়ে গত বুধবার জাজিরার ঝিনু মার্কেট এলাকায় দুটি স্পিডবোটের সংঘর্ষ হয়ে তারা নিখোঁজ থাকেন।
জাজিরা থানা ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শরীয়তপুরের জাজিরা ও মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া এলাকায় পদ্মা নদীতে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মা ইলিশ শিকার করে জেলেরা। মাছ ধরার কাজে ইঞ্জিনচালিত নৌকার পাশাপাশি দ্রুতগতির স্পিডবোটও ব্যবহার করা হয়। বুধবার জাজিরার ঝিনু মার্কেট এলাকায় মাছ ধরার সময় নীল চাঁন ফকির ও কিনান খার স্পিডবোটের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে নীল চাঁন ফকিরের স্পিডবোটে থাকা জেলে স্বপন মোল্যা ঘটনাস্থলেই নিহত হন। নিখোঁজ থাকেন আরও তিনজন।
নিখোঁজদের উদ্ধারে উদ্ধার অভিযান শুরু করে প্রশাসন। এর একপর্যায়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার আগে নিখোঁজ তিনজনের লাশ উদ্ধার করা হয়।
জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বেলায়েত হোসেন বলেন, দুটি স্পিডবোটের সংঘর্ষের ঘটনায় বৃহস্পতিবার তিনজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এই নিয়ে মোট চারজনের লাশ উদ্ধার করা হলো। স্পিডবোট ডুবির ঘটনায় আর কেউ নিখোঁজ আছে কিনা সে বিষয়ে আমরা নিশ্চিত নই।