মূল সংবাদে যান
২৪ আগস্ট ২০২৬

শেয়ার করুন

নেত্রকোণায় প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের প্রশ্নফাঁসে জড়িত ১৫ শিক্ষক

প্রতিনিধি ৬৫ বার পঠিত ৩ মিনিটের পাঠ

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষায় তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁস ও পরীক্ষার্থীদের উত্তরপত্র সরবরাহ করার ঘটনায় ৩৮ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দিয়েছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার ৬ মাসের তদন্ত শেষে নেত্রকোনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ অভিযোগপত্র দেন পুলিশ পরিদর্শক মো. রফিকুল ইসলাম।

চার্জশিটে অভিযুক্তরা সরকারি-বেসরকারি স্কুল-কলেজের শিক্ষকসহ বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং পরীক্ষার্থীদের স্বজন। এর মধ্যে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তিনজন প্রধান শিক্ষকসহ ১৫ শিক্ষক রয়েছেন।

জানা গেছে, তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে প্রশ্নপত্র সংগ্রহ এবং প্রশ্নোত্তর পরীক্ষার্থীদের সরবরাহের ঘটনায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮ ও পাবলিক পরীক্ষা (অপরাধ) আইন-১৯৮০-ধারায় মামলা করা হয়।

সর্বশেষ প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা চলাকালে গত ২৮ জুন ৩৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে প্রশ্নপত্র সংগ্রহ এবং প্রশ্নোত্তর পরীক্ষার্থীদের সরবরাহ করেছেন। ওই সময় তাদের কাছ থেকে কয়েকটি মুঠোফোন, ল্যাপটপ ও প্রিন্টারসহ ইলেকট্রনিকস ডিভাইস ও সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।

গ্রেপ্তার ৩২ জনের মধ্যে ১২ জন ছিলেন নারী। এদের মধ্যে ৯ জন ছিলেন বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। এরই মধ্যে অভিযুক্ত ৯ নারী শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

পাশাপাশি গ্রেপ্তার পুরুষদের মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন ২ জন। ঘটনার অন্যতম হোতা কেন্দুয়া উপজেলার বলাইশিমুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুল মান্নান ছোটনসহ তার আত্মীয় পুরাবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুস সাকিকে ৩০ জুন সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। ওই সময় গ্রেপ্তার উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন ২ জন। বাকিরা বিভিন্ন কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও পরীক্ষার্থীদের স্বজন।

কেন্দুয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রাশেদুজ্জামান বলেন, চাঞ্চল্যকর এ মামলায় এজাহারনামীয় ৩৭ আসামিসহ ৩৮ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দিয়েছে পুলিশ।