মূল সংবাদে যান
২৪ আগস্ট ২০২৬

শেয়ার করুন

তীব্র শীত ও বৃষ্টিতে কর্মতৎপরতা নেই উপকূলীয় জেলে ও মৎস্য ব্যবসায়ীদের

মো. খালেদ মোশাররফ সোহেল ৭৫ বার পঠিত ২ মিনিটের পাঠ

দক্ষিণের উপকূলীয় জেলা বরগুনা। তীব্র শীত, ঘন কুয়াশা ও গুড়িগুড়ি বৃষ্টিতে জন জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। এতে উপজেলার ছিন্নমূল, গরীব ও খেটে খাওয়া মানুষ শীতে কষ্ট পাচ্ছে। বিশেষ করে জেলে ও মৎস্য ব্যবসায়ীরা পরেছে বিপাকে। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার সকাল থেকে সূর্যের মুখ না দেখায় তাপমাত্রা কমে যায় এই উপকূলীয় এলাকায়।

বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার  সন্ধ্যার দিকে হঠাৎ করে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি শুরু হয়ে মাঝারি আকারের বৃষ্টিতে পরিনত হয়। যা আজ ভোর রাত থেকে মুসল ধারে পরতে শুরু করায় উপকূলীয় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

বৃষ্টিতে তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় ছিন্নমূল, গরীব ও খেটে খাওয়া মানুষ কষ্টে জড়োসড়ো হয়ে জীবন যাপন করছে। দেশের বৃহত্তম মৎস্য বন্দরে গিয়ে দেখা যায় তীব্র শীতে মাছ টানা বন্ধ রয়েছে। এছাড়াও জেলেরা মাছ শিকারের জন্য নদীতে যেতে পারছে না।

আমতলীর জেলে নাসির সিকদার বলেন, বৃষ্টি ও ঠান্ডার কারণে কেউ নৌকা নিয়ে নদীতে গিয়ে জাল ফেলতে পারছেনা। তাই জেলেরা এখন কাজ ছেড়ে বসে আছে।

বরগুনার মৎস্য শ্রমিক আব্দুল কাদের জানান ,অতিরিক্ত শীত ও বৃষ্টির কারণে তারা কাজ করতে পারছে না। প্রতিদিন কয়েকশত শ্রমিক মৎস্য ঘাটে কাজ করলেও আজ অল্প কিছু শ্রমিক কাজ করতে এসেছে বলে জানান তিনি।

মৎস্য আড়ৎদার জাকির হোসেন জানান, বৃষ্টির কারণে বাজার দেরিতে শুরু হয়েছে। তিনি আরো বলেন, শীতের কারণে জেলেরা মাছ শিকারে যেতে পারছে না। তাই মৎস্য বন্দরে তেমন কর্মতৎপরতা নেই একারনে অনেক শ্রমিক বেকার বসে আছে।

আমতলী উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম সরোয়ার ফোরকান  জানান, তীব্র শীত ও বৃষ্টিতে উপকূলীয় এলাকার মানুষের জন জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। আমরা উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ শুরু করেছি।