দামুড়হুদায় স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ শেষে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ১
চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় ১ম শ্রেণীর স্কুলছাত্রী সুমাইয়া খাতুনকে ধর্ষণ শেষে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় পুলিশ স্কুলছাত্রীর হত্যাকারীকে গ্রেফতার করেছে।
শনিবার রাতে স্কুলছাত্রীর লাশ মদনা ইউনিয়ন পরিষদের পিছনে একটি শিম ক্ষেত থেকে লাশ উদ্ধার করে। হত্যাকারীকে রোববার ভোরে পুলিশ নিজ গ্রাম থেকে গ্রেফতার করা হয়।
নিহত স্কুলছাত্রী সুমাইয়া খাতুন (৭) দামুড়হুদা উপজেলার মদনা ইউনিয়নের পারকেষ্টপুর গ্রামের নাসিরুল ইসলামের শিশু কন্যা ও স্থানীয় ছয়ঘরিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১ম শ্রেণীর ছাত্রী। গ্রেফতার মোমিনুল ইসলাম একই গ্রামের নুর ইসলামের ছেলে।
এ ঘটনায় স্কুলছাত্রীর পিতা বাদী হয়ে দামুড়হুদা মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে।
পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম জানান, শনিবার দুপুরে স্কুলছাত্রী সুমাইয়া খাতুন স্কুল থেকে বাড়ি ফিরে আসে। এ সময় বাড়িতে তার মাকে দেখতে না পেয়ে সে বাইরে আসে। এসময় মোমিনুল ইসলাম শিশুটিকে বলে তার মাকে খুঁজে দেওয়ার কথা। শিশুটিকে সাথে করে নিয়ে মদনা ইউনিয়ন পরিষদের পিছনে একটি শিম ক্ষেতে নিয়ে যায়। তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ শেষে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে পালিয়ে যায় ঘাতক।
নিহতের স্বজনরা সুমাইয়াকে খুঁজতে থাকে এবং গ্রামে মাইকিং করে। রাতে গ্রামবাসী সংগঠিত হয়ে খুঁজতে শুরু করে। এক পর্যায়ে তার লাশ বিবস্ত্র অবস্থায় শিম ক্ষেতে পড়ে থাকতে দেখে। পরে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে দামুড়হুদা থানায় নিয়ে যায়। রোববার দুপুরে পুলিশ নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়।