জরুরি ইমেইল না হলে পড়া এড়িয়ে যান
মুক্তিযোদ্ধার কন্ঠ ডেস্কঃ গত দুই দিনে কতগুলো ইমেইল দেখেছেন? ইমেইল দেখার জন্যে এক ধরনের চাপ কি অনুভব করেন? লন্ডন-ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ফিউচার ওয়ার্ক সেন্টার ২ হাজার মানুষের ওপর এক গবেষণা চালায়। দেখা যায়, যত ইমেইল আসে তার সবগুলো দেখার প্রবণতা হতাশা ও মানসিক চাপ সৃষ্টি করে। তাই ইমেইল আসলেও গুরুত্বপূর্ণগুলো ছাড়া বাকিগুলো না দেখার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
ইমেইল দেখার জন্যে অ্যাপ রয়েছে। কিন্তু এগুলো দেখতে চাপ প্রয়োগ করে ‘পুশ নোটিফিকেশন’। আবার মেইল অ্যাপে না থাকার পরও পুশ নোটিফিকেশনের মাধ্যমে ইমেইল আর মেসেজ দেখার অর্থ দাঁড়ায়, তারা কিছু নিয়ে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত আছেন। তাই ঘরে-বাইরে স্মার্টফোনের মেইল অ্যাপ বন্ধ রাখার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
এ গবেষণায় আরো বলা হয়, একের পর এক ইমেইল প্রাপকের মনে সব সময় কাজে ব্যস্ত থাকার অনুভূতি দেয়। ফলে এক ধরনের স্ট্রেস ভর করে মনে।
সাধারণত তরুণ কর্মীবাহিনীর ওপর এ চাপ মারাত্মক অবস্থার সৃষ্টি করে। আইটি, মার্কেটিং, ইন্টারনেট এবং মিডিয়ায় যারা চাকরি করেন তারা ইমেইলের দ্বারা ক্ষতির শিকার হন। জরিপকৃতদের ৩০ শতাংশ জানান, তারা প্রতিদিন অন্তত ৫০টি ইমেইল পেয়ে থাকেন।
‘পুশ নোটিফিকেশন’ বড় ধরনের প্রভাবক হয়ে কাজ করে। ইমেইল আসলে এটি ফিচার অটোমেটিক আপডেট হয় এবং ইমেইল দেখতে ব্যবহারকারীর ওপর চাপ প্রয়োগ করে।
২০১৪ সালে জার্মানিতে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় কর্মীদের স্ট্রেস কমানোর জন্যে প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্দেশ আরোপ করেছে। সেখানে কর্মদিবসে বাইরে তাদের সঙ্গে অফিস থেকে যোগাযোগ করার বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
পেশা সংশ্লিষ্ট স্ট্রেস নিরসনে কর্মীদের সচেতন হতে বলা হয়েছে। ইমেইলের যন্ত্রণা যদি বেশি থাকে, তবে একমাত্র অতি জরুরি ইমেইল ছাড়া বাকিগুলো এড়িয়ে যেতে বলা হয়। তা ছাড়া ইমেইল অ্যাপ বন্ধ করে রাখা এবং পুশ নোটিফিকেশন না ব্যবহার করতে পরামর্শ দেন।
মুক্তিযোদ্ধার কন্ঠ ডটকম/05-01-2016/মইনুল হোসেন
