নতুনভাবে তৈরি হলো উর্মিলা দেবীর ঘরের দেয়াল
বরগুনার তালতলী উপজেলার বেহেলা গ্রামের, উর্মিলার দেবীর নির্মাণাধীন ঘড়ের দেয়ালের কিছু অংশ ভেঙ্গে পরে গত ২রা ফেব্রুয়ারী রাতে খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান ছুটে যান উর্মিলা দেবীর বাড়ি। নির্মাণাধীন ঘড়ের দেয়াল ভেঙ্গে পরার কারণ খুঁজতে থাকেন সংবাদ কর্মীরা। এ সময় অনুসন্ধানে করে পাওয়া যায় লবন পানি দিয়ে সিমেন্ট বালু মিশ্রিত করা হয়েছে এবং নরম মাটিতে বেস করায় তিন ফুট উচ্চতার দেয়াল ভেঙ্গে পরে।
ঘটনার খবর পেয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান রেজবি-উল কবির, উপজেলা নির্বাহী অফিসার (অতিরিক্ত) মোঃ আসাদুজ্জামান মিষ্টি পানি দিয়ে নতুন করে ঘড় পূণঃ নির্মাণের নির্দেশ দেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশ মোতাবেক উর্মিলা দেবীর ঘড় পূণঃ নির্মাণ কাজ চলমান।
এ বিষয়ে উর্মিলা দেবী বলেন ,ইউ এন ও স্যার ও উপজেলা চেয়ারম্যানের নির্দেশে কাজের মান ভালো হচ্ছে। তাই শেখ মুজিবের মাইয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও উপজেলা চেয়ারম্যান রেজবি-উল কবির এবং ইউ এন ও আসাদুজ্জামানের জন্য দোয়া করি ভগবান তাদের হায়াত দিয়ে বাচিয়ে রাখুক।
তালতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (অঃদাঃ) মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন,শেখ হাসিনার উপহারের সকল ঘর সুন্দর টেকসই ও ভালো মানের নির্মাণের দিকে নজর দিচ্ছি। আমি ঘরের কাজ করতে গিয়ে কত শত মানুষের দুঃখ-দুর্দশার গল্প শুনেছি। মানুষের অসহায়ত্ব দেখেছি। এই উপজেলায় ১০০ পরিবার বাড়ি পাচ্ছে। এটা প্রধানমন্ত্রীর মহান উদ্যোগ। আর আগে কেউ এমন উদ্যোগ নেয়নি। এই উদ্যোগে মানুষের মুখে হাসি ফুটেছে, এটা অনেক বড় প্রাপ্তি।
উল্লেখ্য মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশ্রায়ন-২ প্রকল্পের অধীনে উপজেলায় ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য ইতোমধ্যে ১০০টি ঘর নির্মাণের কাজ চলছে। দুই শতাংশ খাস জমির ওপর প্রতিটি টিন শেড ঘর নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ১ লাখ ৭২ হাজার টাকা। ৩৯৪ বর্গফুটের ওই বাড়িতে নির্মাণ করা হচ্ছে দুটি কক্ষ, রান্নার জায়গা ও একটি টয়লেট। টিনশেডের এই ঘরে একটি পরিবার স্বাচ্ছন্দে বসবাস করতে পারবে।