ডেইলি স্টার বন্ধ ও মাহফুজ আনামের শাস্তি দাবি
তথ্য যাচাই-বাছাই না করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে সেনা গোয়েন্দা সংস্থা-ডিজিএফআই’র সরবরাহ করা সংবাদ ছাপিয়ে ডেইলি স্টার রাষ্ট্রদ্রোহের অপরাধ করেছে। পত্রিকাটির সম্পাদক মাহফুজ আনাম অকপটে সেই অপরাধ স্বীকার করেছেন।
এজন্য ডেইলি স্টার সম্পাদক-প্রকাশকের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা দায়ের ও শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। একইসঙ্গে অবিলম্বে ডেইলি স্টার বন্ধ করতে হবে।
রোববার জাতীয় সংসদে অনির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে সংসদ সদস্যরা এ দাবি জানান।
স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে শুরু হওয়া সংসদ অধিবেশনে পয়েন্ট অব অর্ডারে এই আলোচনার সূত্রপাত করেন সরকারি দলের সদস্য ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।
বিতর্কে অংশ নেন আওয়ামী লীগের আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, শামসুল হক টুকু, ওয়ারেসাত হোসেন বেলাল, নূরজাহান বেগম, জাসদের মইন উদ্দীন খান বাদল এবং স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য হাজী মোহাম্মদ সেলিম, ও তাহজীব আলম সিদ্দিকী।
ফজলে নূর তাপস অবিলম্বে ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনামের পদত্যাগ এবং রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে গ্রেফতার করে তার বিচারের দাবি জানান।
তিনি বলেন, ওয়ান-ইলেভেনের সময় মিথ্যা অপবাদ দিতে সাজানো গল্প ছাপানো ও মিথ্যা প্রচারণা চালানোর জন্য অবিলম্বে মাহফুজ আনামের পদত্যাগ এবং অনতিবিলম্বে পত্রিকাটি বন্ধের দাবি করছি।
ফজলে নূর তাপস বলেন, মাহফুজ আনামের মতো লোকেরা অসাংবিধানিক সরকারকে সমর্থন এবং গণতন্ত্রকে নস্যাৎ করার জন্য সারাজীবনই ষড়যন্ত্র করে গেছেন, এখনো করছেন। এটা আর কোনোভাবে বরদাশত করা যায় না।
তিনি আরো বলেন, ট্রান্সকমের মালিক লতিফুর রহমান একজন করাপ্ট (দুর্নীতিবাজ)। সন্ত্রাসী বাহিনী উলফার সঙ্গে যার জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে। সুতরাং এদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন।
হাজী সেলিম বলেন, এতো বছর পর দেশের বিরুদ্ধে অবস্থানের জন্য আলবদর-আলশামসদের বিচার হলে মাহফুজ আনামদেরও বিচার হতে হবে। তাদেরও সাজা পেতে হবে।
মইন উদ্দীন খান বাদল বলেন, মাহফুজ আনাম বিচারের আগেই পেপার ট্রায়াল করে ফেলেছেন, তা উনি স্বীকারও করেছেন। যথষ্টে আত্ম-সম্মানবোধ থাকলে প্রথমেই মাহফুজ আনামের পদত্যাগ করে প্রায়শ্চিত্ত করা উচিত।
