মূল সংবাদে যান
২৪ আগস্ট ২০২৬

শেয়ার করুন

ক্ষমতায় এলে শহীদের প্রকৃত সংখ্যা নিরূপন করে পরিবারকে রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হবে

মুক্তিযোদ্ধার কন্ঠ ৯ বার পঠিত ৩ মিনিটের পাঠ
মুক্তিযোদ্ধার কন্ঠ ডটকমঃ
বিএনপি ক্ষমতায় এলে শহীদের প্রকৃত সংখ্যা নিরূপন করে তাদের পরিবারের সদস্যদের রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা ও ভাতা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

আজ রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এক প্রতিবাদ সভায় তিনি এ কথা বলেন।
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা করার প্রতিবাদ, তারেক রহমানের মামলা প্রত্যাহার এবং মির্জা আব্বাসের নি:শর্ত মুক্তির দাবিতে এ সমাবেশের আয়োজন করে যুবদল, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখা। সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি মাসুদ আহমেদ মিলনের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মো. শাহজাহান, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, যুব বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আবুল খায়ের ভূইয়া, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক আ ক ম মোজ্জামেল হক, মির্জা আব্বাসের স্ত্রী আফরোজা আব্বাস প্রমুখ।
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, আমাদের নেত্রী বলেছেন, ৩০ লক্ষ নিয়ে মতভেদ আছে। আমি আজকে নেত্রীর পক্ষ থেকে বলে যাচ্ছি, আপনি (প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা) না করলেও আমরা ক্ষমতায় আসলে গুনে গুনে শহীদদের তালিকা প্রকাশ করব। শহীদ পরিবারের জন্য রাষ্ট্রীয় তহবিল থেকে যথাযথ মর্যাদা, শিক্ষা এবং জীবনযাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবো। আমি শেখ হাসিনাকে বলতে চাই, খালেদা জিয়ার আগে আপনি কি এই কাজ শুরু করবেন? যদি না করেন তাহলে দুর্ভাগ্য।
তিনি বলেন, শহীদের সংখ্যা নিরূপনের জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন। এজন্য তিনি একটি কমিশন গঠন করেছিলেন। তার দুই সদস্য এখনও জীবত আছে। তারা গুনে ৪৪ হাজার পেয়েছিলো। তখন তিনি বলেছিলেন, পুনরায় আরো লোক বাড়াও। ওই সময়ে তিনি ২ হাজার টাকা করে ভাতাও দিয়েছিলেন।
প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে গয়েশ্বর চন্দ্র বলেন, তার (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান) ইচ্ছা ছিলো শহীদের সঠিক তালিকা করে তাদেরকে ভাতা দেওয়া। আপনি (প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা) কাজটি বন্ধ করেছেন। আপনি বাবার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে চান, তাহলে এই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করছেন না কেন? সংখ্যাতত্ত্ব নিয়ে গা জ্বালা করার তো কোনো কারণ নেই। ম্যাডাম (খালেদা জিয়া) যা বলেছেন যথার্থ বলেছেন।
বর্তমান জনগণকে ভয় পায় বলেই ক্ষমতা আকড়ে থাকতে চায়-দাবি করে গয়েশ্বর বলেন, তারা (আওয়ামী লীগ) নির্বাচন দেবে না। খুন-গুম করে যতদিন ক্ষমতায় থাকতে পারে তাই করছে। স্লোগান দিয়ে এই সরকার হটানো যাবেনা। কৌশল বের করতে হবে।
সরকার উন্নয়নের নামে নিজেদের পকেট ভরছে-দাবি করে গয়েশ্বর বলেন, এই সরকার বাংলাদেশকে সিঙ্গাপুর বানাতে চেয়েছে। তবে সিঙ্গাপুর না বানাতে পারলেও আজিমপুর বানাতে পেরেছে। কারণ আজিমমপুর করবস্থানের মতো ঢাকার রাজপথেও বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। উন্নয়ন শুধু ঢাকায়, গ্রামে ছিটেফোটাও নেই।
অবসরের পর রায় লেখা সংবিধান পরিপন্থি বলে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা যে মন্তব্য করেছেন তা সঠিক এমনটা উল্লেখ করে তিনি বলেন, তার (প্রধান বিচারপতি) ওই বক্তব্যের পর তাকে উদ্দেশ্য করে যেভাবে কথা বলা হচ্ছে, সেগুলো কি আদালত অবমাননা হয় না?