মূল সংবাদে যান
২৪ আগস্ট ২০২৬

শেয়ার করুন

মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে ক্ষমা চাইলেন ইউএনও

ডেস্ক রিপোর্ট ৬৪ বার পঠিত ৩ মিনিটের পাঠ

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উৎযাপনে কুচকাওয়াজ মাঠে আসন সংকট নিয়ে অসন্তোষে ক্ষুব্ধ হয়েছেন মুক্তিযোদ্ধারা। এর প্রতিবাদে অনুষ্ঠান বয়কট করে মাঠ ত্যাগ করেন তিন শতাধিক মুক্তিযোদ্ধা।

তাদের মাঠে ফিরিয়ে আনতে ক্ষমা চান ইউএনও উপমা ফারিসা। এছাড়া অনুরোধ করেন স্থানীয় এমপি ডা. মুরাদ হাসান। এতে দেড় ঘণ্টা পর ফের কুচকাওয়াজ মাঠে গেলেন মুক্তিযোদ্ধারা। স্থানীয় প্রশাসনের দায়িত্বে অবহেলার কারণে দেড় ঘণ্টা পর কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠান স্থবির হয়ে পড়ে।

শনিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সরিষাবাড়ী অনার্স কলেজ মাঠে এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উৎযাপন উপলক্ষে স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যোগে সরিষাবাড়ী অনার্স কলেজ মাঠে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, কুচকাওয়াজ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের সমাবেশ, জাতীয় সংগীত পরিবেশন এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারদের সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠানের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। এ কর্মসূচি অনুযায়ী সকাল সাড়ে ৮টার দিকে মুক্তিযোদ্ধা ও শহিদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যরা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা যথা সময় কুচকাওয়াজ মাঠে উপস্থিত হন।

এ অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ডা. মুরাদ হাসান এমপি ও সভাপতি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উপমা ফারিসা। এ সময় মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারদের বসার চেয়ার ব্যাপক সংকট দেখা দেয়। এ নিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে চরম অসন্তোষ দেখা দেন। একপর্যায় ব্যাপক হুইহুল্লা ও ক্ষুব্ধ হন মুক্তিযোদ্ধারা।

পরে আসন সংকটের কারণে এবং তার প্রতিবাদে সব মুক্তিযোদ্ধা অনুষ্ঠান বয়কটের মধ্যদিয়ে মাঠ ত্যাগ করে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কার্যালয়ে চলে যান। এরপর স্থানীয় এমপি ডা. মুরাদ হাসান ও ইউএনও উপমা ফারিসা তাদেরকে ফেরাতে মুক্তিযোদ্ধা সংসদে যান।

মুক্তিযোদ্ধাদের মাঠে ফেরাতে উপমা ফারিসা সকলের কাছে হাত জোড় করে ক্ষমা প্রার্থনা করেন এবং ডা. মুরাদ অনুরোধ করেন। তাদের ক্ষমা প্রার্থনা ও অনুরোধে মুক্তিযোদ্ধারা দেড় ঘণ্টা পর ফের মাঠে যান।

উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার মোফাজ্জল হোসেন বলেন, ইউএনও মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করায় আমরা মাঠে এসেছি।

ইউএনও উপমা ফারিসা প্রশ্নের উত্তরে বলেন, মুক্তিযোদ্ধারা নাস্তা করতে গিয়েছিলেন। তবে মুক্তিযোদ্ধারা না আসলে অনুষ্ঠান পণ্ড হয়ে যাবে তাই তাদেরকে যে কোনো ওয়েতে অনুষ্ঠানে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।