মূল সংবাদে যান
২৪ আগস্ট ২০২৬

শেয়ার করুন

ঢাবিতে ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতাদের পেটাল ছাত্রলীগ

ডেস্ক রিপোর্ট ২৭ বার পঠিত ৩ মিনিটের পাঠ

ছাত্র অধিকার পরিষদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখার তিন নেতা মারধরের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। মারধরের জন্য ছাত্রলীগকে দায়ী করেছে সংগঠনটি। ছাত্র অধিকার পরিষদের দাবি, আজ শুক্রবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ সংলগ্ন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধির সামনের ফুটপাতে সংগঠনের তিন নেতা মারধরের শিকার হন।

মারধরের শিকার ব্যক্তিরা হলেন- ছাত্র অধিকার পরিষদের ঢাবি শাখার দপ্তর সম্পাদক সালেহউদ্দিন সিফাত, অর্থ সম্পাদক আহনাফ সাঈদ খান ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সম্পাদক আবদুল কাদের। তাদের মধ্যে সিফাত ও আহনাফকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এর আগে রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততার অভিযোগে মেফতাহুল হোসেন আল মারুফ নামে এক ঢাবি শিক্ষার্থীকে পুলিশে সোপর্দ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে ওই শিক্ষার্থীকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিমের মাধ্যমে শাহবাগ থানায় সোপর্দ করা হয়।

ছাত্র অধিকার পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, মারুফকে মুক্ত করতে আজ শুক্রবার শাহবাগ থানায় যান সংগঠনের ঢাবি শাখার কয়েকজন নেতা। তাকে থানা থেকে মুক্ত করে ফেরার পথে তারা হামলার শিকার হন। মারধরের ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিচার দাবি করেছে ছাত্র অধিকার পরিষদের ঢাবি শাখা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাবি শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন বলেন, ‘এ সম্পর্কে আমরা অবগত নই। ছাত্রলীগের কর্মীদের এ ধরনের ঘটনা ঘটানোর প্রশ্নই আসে না।’

জানা গেছে, ২০০৫ সালের সিরিজ বোমা হামলার প্রতিবাদে চলতি মাসের ১৭ আগস্ট ছাত্রলীগের সমাবেশ ও মিছিলের ফলে রাস্তায় যানজটে পথচারীদের ভোগান্তি, ছাত্রলীগের ঘন ঘন কর্মসূচিতে হলের শিক্ষার্থীদের জোর করে নিয়ে যাওয়া- এসব বিষয়ে ব্যাচের মেসেঞ্জার গ্রুপ ‘চৌদ্দশিখা’তে আলাপ চলছিল। আলাপচলাকালীন মারুফের একটি মেসেজের ভিত্তিতে তাকে হল প্রশাসন ‘রাষ্ট্রবিরোধী’ ও ‘জঙ্গি সংশ্লিষ্ট’ কাজে জড়িত থাকার সন্দেহে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী তাদের মেসেঞ্জার গ্রুপে লেখেন, ‘সিরিজ বোমা হামলা চালাইছে জামায়াতুল মুজাহিদিন নামে একটা জঙ্গি সংগঠন বাংলা ভাইয়ের নেতৃত্বে। সেই সময় ক্ষমতায় ছিল বিএনপি-জামায়াত। এই ক্ষমতায় থাকার জন্য যদি দায়ী তারা হয় তাহলে গুলশানসহ সব জঙ্গী হামলার জন্য দায়ী আওয়ামী লীগ।’ তার এই মেসেজ প্রথমে হল ছাত্রলীগের হাতে আসলে তারা ওই শিক্ষার্থীকে প্রভোস্টের হাতে তুলে দেন। পরবর্তীতে প্রভোস্ট ওই শিক্ষার্থীকে শাহবাগ থানায় সোপর্দ করেন।