মূল সংবাদে যান
২৪ আগস্ট ২০২৬

শেয়ার করুন

সোনাইমুড়ীতে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষ

ডেস্ক রিপোর্ট ৬৬ বার পঠিত ৩ মিনিটের পাঠ

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীর জয়াগ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ত্রী-বার্ষিক সম্মেলনকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, সংঘর্ষ ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। অতিথিরা আসার আগেই সম্মেলন উদ্বোধন করায় এ সংঘর্ষ বাধে বলে জানা গেছে।

রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জয়াগ মহাবিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ৬ জন আহত হয়েছেন। ভাঙচুর করা হয়েছে চেয়ারসহ সম্মেলনস্থলের জিনিসপত্র। এতে পণ্ড হয়ে যায় সম্মেলন।

সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে চারজনের নাম জানা গেছে। তারা হলেন- জয়াগ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আহ্বায়ক হাফিজ তানভির, যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুর রহিম, ১ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি ইসমাইল হোসেন ওরফে বাবু ও জয়াগ বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি মো. রাব্বি।

স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, জেলা আওয়ামী লীগের একজন সদস্যকে সমন্বয়ক করে সোনাইমুড়ীর জয়াগে ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সকাল ১০টায় নির্দিষ্ট সময়ে অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার কথা থাকলেও ওই সময়ের মধ্যে অনুষ্ঠানের প্রধান ও বিশেষ অতিথিরা না আসলেও অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করে কার্যক্রম শুরু করে দেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক। পরে অনুষ্ঠানস্থলে সংসদ সদ্য এ এইচ এম ইব্রাহিম, প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী জাহাঙ্গীর আলম, উপজেলা চেয়ারম্যান খন্দকার রুহুল আমিন, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও সম্মেলনের সমন্বয়ক ফুয়াদ হোসেন যান।

এ সময় অনুষ্ঠান আগে শুরু নিয়ে অতিথিদের সঙ্গে আসা নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। পরে উপস্থিত আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। পরে জয়াগ মহাবিদ্যালয় মাঠে গিয়ে উভয়পক্ষ সংঘর্ষে জড়ায় ও বেশ কয়েকটি ককটেল বিষ্ফোরণ ঘটায়। পরবর্তীতে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মমিনুল ইসলাম বাকের সংঘর্ষের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, অনুষ্ঠান শুরু নিয়ে একটু ঝামেলা হয়েছিল। পরে সম্মেলন আপাতত স্থগিত করা হয়েছে।

সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুন অর রশিদ বলেন, তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সমস্য হয়েছিল। তবে পুলিশের হস্তক্ষেপে বড় ধরনের কিছু হয়নি। এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।