মূল সংবাদে যান
২৪ আগস্ট ২০২৬

শেয়ার করুন

ইউপির ভোট বাতিলের দাবি বিএনপি

মুক্তিযোদ্ধার কন্ঠ ৮৪ বার পঠিত ৩ মিনিটের পাঠ

মেুক্তিযোদ্ধার কন্ঠ ডেস্কঃ- তৃতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের প্রায় সবকটিতে বিএনপির প্রার্থী ও এজেন্টদের কেন্দ্রে যেতে বাধা, কেন্দ্র দখলসহ বিভিন্ন অনিয়ম হয়েছে দাবি করে এসব ইউপির ভোট বাতিলের দাবি জানিয়েছে বিএনপি।

শনিবার নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিবউদ্দীন আহমদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এ দাবি জানায় বিএনপি।

আজ তৃতীয় ধাপে ৬১৪ইউপিতে ভোটগ্রহণ হয়। ওই ভোটের বিষয়ে অভিযোগ জানাতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল সিইসির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

এদিকে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তৃতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচনের নানা অনিয়মের চিত্র তুলে ধরে দলের সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, তৃতীয় ধাপের নির্বাচনেও কেন্দ্র দখলের মাধ্যমে ক্ষমতাসীনেরা ভোট লুটপাট করেছে।

সিইসির সঙ্গে বৈঠক শেষে নজরুল ইসলাম খান বলেন, প্রায় সব ইউপি নির্বাচনে যথেচ্ছ কারচুপি ও সিল মারা হয়েছে। বিএনপির প্রার্থী-এজেন্টকে বাধা দেয়া, কেন্দ্র দখলের ঘটনা হয়েছে। এটা অর্থহীন নির্বাচন। এতে জনগণের ইচ্ছার কোনো প্রতিফলন নেই।

তিনি বলেন, জোর-জবরদস্তির এ নির্বাচনের সাক্ষীগোপাল ইসি। অনিয়মের জন্য এসব ইউপির ভোট বাতিল করে পুননির্বাচনের দাবি জানানো হয়েছে।

বিএনপির জ্যেষ্ঠ এ নেতা বলেন, ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীকে জেতানোর জন্য সন্ত্রাস-কারচুপি যা যা করা দরকার তাই করা হয়েছে এ নির্বাচনে। প্রশাসন ও পুলিশ বাধা না দিয়ে তাদের সহায়তা করেছে।

তিনি বলেন, নোয়াখালীর চাটখিলে ৬২টি কেন্দ্রের সবই দখল হয়ে গেছে। ইসি বন্ধ করেছে মাত্র চারটি কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ। এতে নির্বাচনের ফলে কোনো প্রভাব পড়বে না। সরকারি দলের বিজয়ীরা আনন্দ মিছিল করতে থাকবে আর ইসি তদন্ত করতে থাকবে। কিন্তু এতে লাভ হবে না।

প্রতিনিধিদলে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মাহবুব উদ্দিন খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স প্রমুখ।

এদিকে রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, চলমান ইউপি নির্বাচনে প্রশাসনের সহায়তায় আওয়ামী লীগ তৃতীয় ধাপেও ভোট ডাকাতি, ভোট জালিয়াতি, কেন্দ্র দখলের মাধ্যমে ভোট লুটপাট সহিংসতাসহ ব্যাপক অনিয়ম করেছে। গুরুতর এ সব অনিয়মের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশন এবারও দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।

তিনি দাবি করেন, নির্বাচনে সরকার দলীয় চেয়ারম্যান প্রার্থীদের জয়ী করতে সরকার ও নির্বাচন কমিশন যৌথ খেলা খেলছে। তাদের মধ্যে গোপন লিখিত চুক্তি হয়েছে। এর বাইরে তারা (ইসি) যেতে পারবে না।

রিজভী বলেন, আওয়ামী লীগের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি হচ্ছে নির্বাচনকে রক্তাক্ত করা এবং হত্যা ও সহিংসতা। এ নির্বাচনে বিরোধী দলের নেতাকর্মীরা তো আছেনই, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহীরাও তাদের হাত থেকে রক্ষা পায়নি।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন প্রমুখ।

মুক্তিযোদ্ধার কন্ঠ ডটকম/24-04-2016/মইনুল হোসেন