খালেদা জিয়ার বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম রেজিষ্ট্রেশন নিয়ে চলছে ধোঁয়াশা
মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠ ডেস্ক :
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম রেজিষ্ট্রেশন করেছেন কী না, সে বিষয়ে জানাতে পারেননি তার প্রেসসচিব, একান্ত সহকারী এবং প্রেস উইংয়ের কেউ।
বিএনপি নেত্রী ফোন ব্যবহার করলেও তিনি যে সিমটি ব্যবহার করেন সেটি নিজের নামে কী না-সেটি বলতে পারছেন না তারা। যে কারণে বিএনপি নেত্রীর সিম রেজিষ্ট্রেশন নিয়ে ধোঁয়াশা রয়ে গেছে।
সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৩১ মে সিম রেজিষ্ট্রেশনের শেষ সময় থাকলেও এই সময়ের মধ্যে বিএনপি চেয়ারপারসনের সিম রেজিষ্ট্রেশন সংক্রান্ত কোনো তথ্যই দিতে পারেননি দায়িত্বশীলরা। তবে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামসহ শীর্ষ নেতারা তাদের সিম রেজিষ্ট্রেশন করেছেন।
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া সিম রেজিষ্ট্রশন করেছেন কী না-জানতে চাইলে তার প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান এবং শামসুদ্দিন দিদার জানান, এ বিষয়ে তাদের কাছে কোনো তথ্য নেই।
জানতে চাইলে বিএনপি নেত্রীর প্রেসসচিব মারুফ কামাল খান সোহেল জানান, তিনি (খালেদা জিয়া) মোবাইল ব্যবহার করেন। তবে সেই সিম তার নিজের নামে কী না জানা নেই। তবে তিনি প্রয়োজনে অফিসিয়াল বা সহকারীদের ফোনে কথা বলেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে এিনপি নেত্রীর একান্ত সহকারী শিমুল বিশ্বাস কোনো তথ্যই দিতে চাননি।
তবে বিএনপি নেত্রীর সিম রেজিষ্ট্রেশর তথ্য জানা না গেলেও দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাইজিংবিডিকে জানিয়েছেন, সময় বাড়ানের আগেই তিনি প্রথম দফায় সিম রেজিষ্ট্রেশন করেছেন।
দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মাহবুবুর রহমান জানিয়েছেন, তিনিও প্রথম দফায় সিম রেজিষ্ট্রেশন করেছেন।
বিটিআরসির সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গ্রাহকের হাতে থাকা প্রায় ১৩ কোটি ২০ লাখ সিমের মধ্যে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে নিবন্ধিত হয়েছে ১০ কোটি ৪৮ লাখ ৬৫ হাজার ৩০৬ সিম । সে হিসেবে এখনও অনিবন্ধিত সিমের সংখ্যা ২ কোটি ৭১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৯৪।
বিটিআরসির দেওয়া হিসেবে এখন পর্যন্ত গ্রামীণফোনের ৪ কোটি ৯০ লাখ ১৫ হাজার ৮৯৬টি, বাংলালিংক ২ কোটি ৬৬ লাখ ৪৬ হাজার ৪৭৬, রবি ২ কোটি ১০ লাখ ৪ হাজার ৩২২, এয়ারটেল ৭৬ লাখ ৮০ হাজার ৬৫১, রাষ্ট্রায়ত্ত অপারেটর টেলিটকের ১২ লাখ ৭৪ হাজার ২৫২টি এবং সিটিসেলের ১ লাখ ৪৩ হাজার ৭০৯টি সিম নিবন্ধিত হয়েছে।
পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী অনিবন্ধিত সিম মঙ্গলবার রাত ১২টার পর থেকেই বন্ধ হয়ে যায়। তবে বন্ধ হলেও ৪৫০ দিনের মধ্যে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে নিবন্ধন করে পুনরায় সিম চালু করা যাবে। আর বন্ধ হয়ে যাওয়া সিম পুনরায় পেতে প্রমাণ সাপেক্ষে কিনতে হবে হবে নিজের সিমটি।
মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠ ডটকম/০১-০৬-২০১৬ইং/মোঃ নোমান