মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠ ডেস্কঃ দুর্যোগ ঝুঁকিতে থাকা এ দ্বীপের দেড় লক্ষাধিক অধিবাসীকে রক্ষায় শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ঘূর্ণিঝড়-জলোচ্ছ্বাসে বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দ্বীপের অসহায় মানুষ। সর্বশেষ ঘূর্ণিঝড় রোয়ানুর আঘাতে কুতুবদিয়ার ২০ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ ধ্বংস হয়ে গেছে। ২০ হাজার পরিবারের বসতবাড়ি সম্পূর্ণ বা আংশিক ধ্বংস হয়েছে। কৃষিজমি, স্কুল, রাস্তাঘাটসহ সকল প্রকার স্থাপনা এবং সুপেয় পানি প্রাপ্তি হুমকির মুখে।
উপকূলীয় উন্নয়নমান ও কর্মসংস্থান জোট, ঢাকাস্থ কুতুবদিয়া ছাত্র কল্যাণ পরিষদ এবং গ্রিনবেল্ট ট্রাস্ট এর যৌথ উদ্যোগে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
গ্রিনবেল্ট ট্রাস্টের মহাপরিচালক জসিম কাতাবির সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন উন্নয়ন গবেষক আমিনুর রসুল, প্রকৌশলী সাদ্দাম হোসেন, ঢাকাস্থ কুতুবদিয়া ছাত্র কল্যাণ পরিষদের সমন্বয়ক মেহেদি হাসান সোহেল।
গ্রিনবেল্টের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ৯০০ খ্রিস্টাব্দে জেগে ওঠা কুতুবদিয়া দ্বীপের অস্তিত্ব দেশের মানচিত্র থেকে মুছে যাচ্ছে। ১৯৯১ সালের ৩১ বর্গমাইলের কুতুবদিয়া বর্তমানে ১৭ বর্গমাইলে এসে ঠেকেছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃষ্টি আকর্ষণ করে ‘কুতুবদিয়ার মানবিক বিপর্যয়’ রোধে জরুরি ব্যবস্থা নিতে ছয় দফা সুপারিশ জানানো হয়ে সংবাদ সম্মেলনে।
কুতুবদিয়ার সুরক্ষায় টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ নিশ্চিত করা; কুতুবদিয়ার পশ্চিমে দুই কিলোমিটার বহিঃসমুদ্রের ডুবোরের উপর ৩০ মিটার বেইজওয়াল ও টেট্রাপডের মাধ্যমে বেড়িবাঁধ নির্মাণ করে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল ঘোষণা করা; ‘বাংলাদেশ ডেলটা প্লান ২১০০’ প্রকল্পে কুতুবদিয়াকে অন্তর্ভুক্ত করা; দুর্যোগের সময় জরুরি খাদ্য ও পানীয় কর্মসূচি চালু করা এসব দাবির অন্যতম।
মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠ ডটকম/ ১৭ -০৬-২০১৬ ইং/মো: হাছিবুর রহমান