আচমকাই ডুকরে কেঁদে উঠল ”মৃত” সন্তান

মুক্তিযোদ্ধার কন্ঠঃ চোখের জলে চলছিল সদ্যোজাত মৃত সন্তানকে কবর দেওয়ার প্রস্তুতি। ধর্মীয় আচার মেনেই চলছিল গোসলপর্ব। আচমকাই ডুকরে কেঁদে উঠল ”মৃত” সন্তান। ছুটে গেলেন মা।
দেখে কাঁদছে তাঁর কোলের সন্তান, যাকে কিছুক্ষণ আগেই মৃত বলে জানিয়ে দিয়েছিলেন চিকিত্সক। রবিবার সন্ধ্যায় ভারতের দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগর বাইশহাটা গ্রামে শোকের পরিবেশ এক নিমিষে হয়ে উঠল উত্সবমুখর।
মৃত বলে ফিরিয়ে দেওয়া শিশুর চিকিত্সা চলছে এখন একটি নার্সিংহোমে। চিকিত্সকরা জানিয়েছেন শিশুটি এখন অনেকটাই সুস্থ।
সূত্রের খবর, বাইশহাটা গ্রামের বাসিন্দা ফকরুদ্দিন মোল্লার স্ত্রী ফতেমা বিবির রবিবার বিকেলে হঠাত্ই প্রসব যন্ত্রণা ওঠে৷ তাঁকে স্থানীয় একটি নার্সিংহোমে নিয়ে যাওয়া হয়। তিনি সেখানে পুত্রসন্তান প্রসব করেন।চিকিত্সকরা জানান, সদ্যোজাত মৃত।এরপরই মৃত সন্তান ও স্ত্রীকে নিয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি চলে আসেন তিনি।সন্তান কোলে কান্নায় ভেঙে পড়েন ফকরুদ্দিন-ফতেমা।এরপরই শুরু হয় কবর দেওয়ার পর্ব।মাটি খোঁড়া থেকে শুরু করে সমস্ত আয়োজন করে ফেলার পরই হঠাত্ কেঁদে ওঠে শিশুটি।প্রথমটায় বিশ্বাস করতে না পারলেও আনন্দে আত্মহারা হয়ে সেই নার্সিংহোমের পথে ছোটেন ফকরুদ্দিন-ফতেমা।কিন্তু নার্সিংহোম শিশুটিকে ভর্তি নিতে অস্বীকার করে।এরপর অন্য একটি নার্সিংহোম শিশুটিকে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে তার চিকিত্সা শুরু হয়।নার্সিংহোম সূত্রে খবর, শিশু এবং তার মা দু’জনই সুস্থ রয়েছেন৷
অভিযুক্ত নার্সিংহোমের বিরুদ্ধে জয়নগর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ফকরুদ্দিন মোল্লা।হাসপাতাল বা নার্সিংহোমের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ নতুন নয়।এর আগেও বহুবার এ ধরনের ঘটনার খবর পাওয়া গিয়েছে।শ্মশানে বা কবরস্হ করার সময় মৃতরা কেঁদে উঠেছেন।জানা গিয়েছে, তখন তারা জীবিত।