একটি সড়কই বদলে দিতে পারে সিরাজগঞ্জের চৌহালী ও শাহজানি বাসির ভাগ্য
ইমরান হোসেন আপন, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
চৌহালী উপজেলার গুরুত্বপুর্ন ব্যাবসা বানিজ্য কেন্দ্র শাহজানি বাজার ও গরুর হাট। পাকিস্থান আমল থেকেই উপজেলার গুরুত্বপুর্ন বানির্জ্যকি এলাকা শাহজানি হাট। ঐতিহ্যবাহি এই হাটের পশ্চিম পাশে যমুনা নদী ও পুর্ব পার্শে ধলেশ্বরী নদী । যাতাযাতের জন্য একটি মাত্র স্থল পথ নাগরপুর চৌহালী হয়ে শাহজানি বাজার হইয়ে গোলচত্তর এবং টাঙ্গাইল বাইপাস সড়ক। গত বর্ষা মৌশুমে যমুনা নদীর ভয়াবহ ভাঙ্গনে চৌহালীর আজমউদ্দিন মোড় থেকে শাহজানির খগেন ঘাট পর্যন্ত দেড় কিলোমিটার পাকা সড়ক নদী গর্ভে বিলিন হয়ে গেছে । ফলে চৌহালী উপজেলা পরিষদের কর্মকর্তা কর্মচারি, স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীরা জীবনের ঝুকি নিয়ে নৌকায় যাতায়াত করছে । যমুনা নদীর পার শাসন প্রকল্প, বেড়ী বাধের পাঁশ দিয়ে শুকনো মৌশমে নতুন সড়ক নির্মান না করায় জনদুর্ভোগ চরমে। ঐতিহ্যবাহি এই হাটে যাতায়াতের জন্য যানবাহন চলাচল প্রায় দুই বছর ধরে বন্ধ। ফলে টাঙ্গাইল, নাগরপুর ও চৌহালী উপজেলাবাসী, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও পথচারিসহ হাট বাজারে কেনা কাটায় যাতায়াতে যাত্রীদের কষ্ট আকাশ সমান। লাখো মানুষের যাতায়াত,যানবাহন চলাচলও মালামাল সরবরাহ বন্ধ হওয়ার ফলে,শাহজানি হাটের ব্যবসা-বানিজ্যর ঝিমিয়ে পরেছে। জনবহুল গুরুত্বপুর্ন বানিজ্যিক এ হাটের ব্যবসা রক্ষাথের্, খগেন ঘাট থেকে উত্তর খাষকাউলিয়া ব্রীজ পর্যন্ত নতুন রাস্তা দ্রুত নির্মান করা জরুরী হয়ে পরেছে। যমুনা নদীর পার রক্ষা বাধের পাশ দিয়ে সংযোগ সড়কটি নির্মান করা হলে ঝুকি মুক্ত হবে, বাঁচবে সময়, কমবে ভোগান্তি। শাহজানি বসিন্দা মুক্তিযোদ্ধা মো, আবুল কালাম আজাদ বলেন, একটি সড়কই বদলে দিতে পারে চৌহালী ও শাহজানি বাসির ভাগ্য। চৌহালী উপজেলা উপসহকারি প্রকৌশলী মো.শহিদুল ইসলাম জানান, পাকা সড়কটি যমুনা নদীতে গ্রাস করায় উত্তর এলাকাবাসির চলাচলে চরম ভোগান্তি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্ত রেজাউল বারী জানান, বেরী বাধের কাজ শুরু হয়েছে, এবাধের পাশ দিয়েই শুকনো মৌশুমে সড়ক নিমৃান করা হবে।
মুক্তিযোদ্ধার কন্ঠ ডটকম/২৯-০৯-২০১৬ইং/ অর্থ