ধৈর্য্যের বাঁধ ভেঙ্গে গেলে কী হবে কেউ জানে না : ফকরুল
মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠ রিপোর্ট,
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আজ মঙ্গলবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সরকারকে স্বাভাবিক গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ফিরিয়ে দেয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ধৈর্য্যের বাঁধ ভেঙ্গে গেলে কী হবে কেউ জানে না।
তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্রকে নিজস্ব গতিতে চলতে দিন। স্বাভাবিক গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ফিরিয়ে দিন। মানুষকে কথা বলতে দিন। নয়তো ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে গেলে জনতার ঢেউ কোনদিকে যাবে, কী হবে, কেউ বলতে পারে না।’
নয়াপল্টনে সমাবেশ করতে না দেয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘এ সরকার ক্ষমতায় আসার পর পল্টন মুক্তাঙ্গন বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। জনসভার জন্য নির্দিষ্ট স্থানগুলো সংক্ষিপ্ত করে ফেলা হয়েছে। ‘
দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে রাস্তায় সমাবেশ করা নিষিদ্ধ উল্লেখ করে তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘তাহলে গণতান্ত্রিক দলগুলো জনমত সংগ্রহের জন্য কোথায় যাবে?’
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সম্প্রতি আওয়ামীলীগের জাতীয় সম্মেলন আয়োজিত হয়। এ সম্পর্কে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আপনারা সোহরাওয়ার্দী ব্যবহার করলেন, সারা শহরের বিদ্যুতের বাতি ব্যবহার করলেন, ব্যানার, গেট, পোস্টার, ফেস্টুন দিয়ে শহর বোঝাই করলেন। অর্থাৎ আপনারা এই অধিকার রাখেন, অন্যরা তা পাবে না।’
বিএনপিকে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দল উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আপনারা বলছেন সংখ্যালঘুরা নির্যাতনের শিকার। গত সাত বছরে আমাদের ১ হাজার নেতাকর্মী খুন হয়েছে, ৫০০ জন গুম হয়েছে। আমাদের মতো নির্যাতনের শিকার তো কেউ হয়নি।’
সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ন মহাসচিব রুহুল কবির রিজভি, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আবদুস সালামসহ আরও অনেকে।
মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠ ডটকম ০৮ / ১১/ ২০১৬ ইং / মোঃ হাছিব