মূল সংবাদে যান
২৪ আগস্ট ২০২৬

শেয়ার করুন

বিএনপি কুঁজো রাজনৈতিক দল’

BenjaminBlumenth ২৫ বার পঠিত ৩ মিনিটের পাঠ

মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠ রিপোর্ট,

 

বিএনপি এখন কুঁজো রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান।

 

মঙ্গলবার মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হরিজনদের পরিবারের সদস্যদের সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

 

রাজধানীর আগা ছাদেক রোডের সিটি কলোনিতে বাংলাদেশ হরিজন ঐক্য পরিষদ এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। হরিজন সেবক সমিতির ব্যবস্থাপনায় এ অনুষ্ঠানে সহযোগিতা করে মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন।

 

মন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি-জামায়ত ২০ দলীয় জোট, তারা এখন কুঁজো রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়েছে। তাদের ইচ্ছে হয় আন্দোলন করতে, কিন্ত আন্দোলন আর করতে পারে না। জনগণ তাদের সাহায্য করে না। সেজন্য তারা এখন কুঁজোর দলে পরিণত হয়েছে।’

 

খালেদা জিয়ার উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘মনে রাখতে হবে, অংকে যদি ভুল করেন, তাহলে অংক মিলবে না। রাসায়নিক পদার্থ যদি মিশ্রণে ভুল করেন তাহলে বিস্ফোরণ ঘটবে। বারবার বলেছি আপনাকে। আপনি তো আদর্শলিপি পড়েন নাই। আদর্শ লিপির একটা কথা আছে, অসৎ সঙ্গ ত্যাগ করো। এটা প্রথম কথা। খালেদা জিয়া যদি এই আদর্শলিপি পড়তেন, তাহলে এই যে অসৎ সঙ্গী, জামায়াত রাজাকার আলবদরদের সঙ্গ ত্যাগ করলে বাংলাদেশেরও ভালো হতো তার জন্যও ভালো হতো। অসৎ সঙ্গ উনি ত্যাগ করেন নাই। আর সে কারণে ওনার এই পরিণতি হয়েছে।’

 

তিনি আরো বলেন, ২০ দলীয় জোটে মধ্যে পাঁচটি দল আছে খুনির দল। আর খালেদা জিয়া তাদের নেতা।

 

পাকিস্তানের সমালোচনা করে মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের বিরুদ্ধে যে পাকিস্তান ষড়যন্ত্র করে চলেছে, সেই পাকিস্তান জঙ্গি রপ্তানি করে। আর আমরা রপ্তানি করি চাল, আমরা রপ্তানি করি জাহাজ। ওই জঙ্গিরা বাংলাদেশে এসে কী পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে তা আপনারা জানেন। তারা কুপিয়ে মানুষ হত্যা করেছে। একের পর এক নানা কৌশল করে এই সরকারকে বিব্রত করার চেষ্টা করেছে। মুসলমানদের জন্য যে পবিত্র রাত, ২৭ রমজান সেই পবিত্র রাতে গুলশানে যারা মানুষ জবাই করেছে তারা মুসলমান হতে পারে না। আর তাদের মদদ দিচ্ছে খালেদা জিয়া এবং জামায়াতে ইসলাম।’

 

বাংলাদেশ হরিজন ঐক্য পরিষদের সভাপতি কৃষ্ণ লালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৩৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাজী মো. আউয়াল ও মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আলম।

 

আয়োজকরা জানান, প্রতিবছর ২২ নভেম্বর এখানে শ্রদ্ধাঞ্জলি দেওয়া হয়। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে জড়িত ১০ হরিজনকে ২২ নভেম্বর রাতে পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের দোষররা তুলে নিয়ে হত্যা করে। পরে তাদের মৃতদেহ রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে পাওয়া যায়। স্বাধীনতার ৪৭ বছর পরও এই শহীদদের মুক্তিযুদ্ধের স্বীকৃত দেওয়া হয়নি।

 

মুক্তিযুদ্ধে যে দশ হরিজন শহীদ হয়েছেন- তারা হলেন রামচরণ দাশ, লালু দাশ, খালবাল দাস, ঈশ্বর দাশ, আনোয়ার লাল, নান্দা লাল, শংকর দাশ হেলা, নান্দু দাশ ও মহাবীর লাল।

 

মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠ ডটকম/  ২১-১১-২০১৬ ইং / মো: হাছিব