মূল সংবাদে যান
২৪ আগস্ট ২০২৬

শেয়ার করুন

যশোর জেলা পরিষদ নির্বাচনে মনোনয়ন প্রত্যাশী ১০ নেতা

BenjaminBlumenth ৫৬ বার পঠিত ৩ মিনিটের পাঠ
মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠ রিপোর্ট,
জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন পেতে যশোরে প্রায় এক ডজন নেতা দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন।
প্রার্থীদের মধ্যে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় থেকে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতা। এ ছাড়া প্রয়াত নেতার স্ত্রী ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নেতারাও মনোনয়ন পেতে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন।
যশোরে আওয়ামী লীগ দুই গ্রুপে বিভক্ত। বিএনপি ও জাতীয় পার্টির নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করার সিদ্ধান্তে আওয়ামী লীগের নেতারা মনোনয়ন পেতে লবিং শুরু করেছেন।
যশোর জেলা পরিষদ নির্বাচনে মনোনয়নের জন্য আওয়ামী লীগের ১০ নেতা আবেদন করেছেন। তাদের মধ্যে আছেন- প্রবীণ নেতা ও বর্তমান প্রশাসক শাহ হাদিউজ্জামান, কেন্দ্রীয় নেতা ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল মজিদ, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সাইফুজ্জামান পিকুল, যুগ্ম সম্পাদক আলী রায়হান, সাংগঠনিক সম্পাদক মীর জহুরুল ইসলাম, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহিত কুমার নাথ, যশোর জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার রাজেক আহমেদ, অভয়নগর উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল মালেক ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি প্রয়াত আলী রেজা রাজুর সহধর্মিনী ফিরোজা রাজু।
সূত্র জানায়, স্থানীয় আওয়ামী লীগের একটি অংশের নিয়ন্ত্রণে আছেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদার। দলের আরেক অংশের নেতৃত্বে আছেন জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন। দুই শিবিরের নেতারা যার যার মতো করে দলীয় মনোনয়নের টিকেট পেতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
সাংগঠনিক সম্পাদক মীর জহুরুল ইসলাম বলেন, ‘আমি দীর্ঘদিন ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলাম। যশোর জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালনের পর যুবলীগের জেলা কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছি। জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ছিলাম ১১ বছর। এখন যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছি।’
তিনি আরো বলেন, দলের কাছে কখনো কিছু চাই নি। এবারই প্রথম জেলা পরিষদের প্রশাসক পদে নির্বাচনের জন্য মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছি। দেশনেত্রী আমাকে মনোনয়ন দিলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নীতি আদর্শের প্রতি অবিচল থেকে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবো।
জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুল মজিদ বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে আছি। কখনো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের বাইরে যাইনি।  জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রতি অবিচল আছি। দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে যাব না। দলীয় মনোনয়ন যিনি পাবেন, তার পক্ষে কাজ করব।’
জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন বলেন ‘দলীয় মনোনয়নের জন্য আবেদন করেছি। মনোনয়ন পাবার ব্যাপারে আশাবাদী। তারপরও মনোনয়ন না পেলে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে কাজ করব।’

  মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠ ডটকম/  ২৩-১১-২০১৬ ইং / মো: হাছিব